ঢাকা,  রবিবার
১১ জানুয়ারী ২০২৬ , ০৬:৪৫ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিএনপির গণভোট–কেন্দ্রিক পরিকল্পনায় নতুন গতি, বিদেশি যোগাযোগে সক্রিয় কূটনীতি ও মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার * হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ * এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকট ও ভোগান্তিতে অচল ফিলিং স্টেশনগুলো * ইরানে বিক্ষোভের তীব্রতায় মার্কিন হামলার ইঙ্গিত, উত্তপ্ত হচ্ছে ভূরাজনীতি * মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬৪৫ আপিল, কাল থেকে শুনানি শুরু * বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে তারেক রহমান * নির্বাচন ঘিরে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকার দাবি প্রেস সচিবের * যুক্তরাষ্ট্রে ২০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতে ভেনেজুয়েলার নতুন চুক্তি * এবার রাশিয়ার তেলের জন্য ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা * প্রয়োজনে খামেনিকে হত্যা—মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় মার্কিন সিনেটরের নতুন হুঁশিয়ারি

আজিমপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক

repoter

প্রকাশিত: ০১:৩৪:১৮অপরাহ্ন , ১৪ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ০১:৩৪:১৮অপরাহ্ন , ১৪ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে। তার ছোট ভাই সাইফুল্লাহ সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কয়েক দিন ধরে তিনি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

গত ৬ মার্চ দুপুরে রমনার ঢাকা ক্লাবে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে যান অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি স্ট্রোক করেছেন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। এরপর থেকেই তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।

অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ আট বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০১৭ সালে তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব শেষ করে আবারও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০২০ সালের জুন মাসে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

তার মৃত্যুতে দেশের শিক্ষা ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তার অবদান স্মরণ করছেন। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা ও সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে যে অবদান রেখেছেন, তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

repoter