ঢাকা,  শনিবার
২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৭:২৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* অমর একুশে আজ ভাষার চেতনায় জাগ্রত বাঙালির আত্মপরিচয় * যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা চরমে: হামলার প্রস্তুতি, নির্দেশের অপেক্ষায় ট্রাম্প * তানজিন তিশার চোখে অনুপ্রেরণার নাম জাইমা রহমান * একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ভাষা শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, মোনাজাতে অংশগ্রহণ * ঋণঝুঁকির সতর্কবার্তা: অতিমূল্যায়িত প্রকল্প ও দুর্বল শাসনে চাপে অর্থনীতি * নামিবিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে পাকিস্তান, ফারহানের সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়ানো * আইনের শাসনই হবে শেষ কথা: জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ * গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত: ভিন্নমতকে স্বাগত জানানোর আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার * রোজায় বাজার নিয়ন্ত্রণই নতুন সরকারের বড় পরীক্ষা * সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, আজই প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক

আজিমপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক

reporter

প্রকাশিত: ০১:৩৪:১৮অপরাহ্ন , ১৪ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ০১:৩৪:১৮অপরাহ্ন , ১৪ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর ধানমন্ডি ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হবে। তার ছোট ভাই সাইফুল্লাহ সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কয়েক দিন ধরে তিনি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

গত ৬ মার্চ দুপুরে রমনার ঢাকা ক্লাবে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে যান অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি স্ট্রোক করেছেন এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। এরপর থেকেই তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।

অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ আট বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০১৭ সালে তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব শেষ করে আবারও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০২০ সালের জুন মাসে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

তার মৃত্যুতে দেশের শিক্ষা ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তার অবদান স্মরণ করছেন। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা ও সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে যে অবদান রেখেছেন, তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

reporter