ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৪:৫৬ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

সিন্ডিকেটের প্রভাবেই অস্থির চালের বাজার, দাম বাড়ছে দিন দিন

reporter

প্রকাশিত: ০১:৩৭:০৮অপরাহ্ন , ১০ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০১:৩৭:০৮অপরাহ্ন , ১০ নভেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

চালের বাজারে বর্তমানে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত কয়েক সপ্তাহে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) চালের দাম ২০০-২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, এবং এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম গড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এ অস্থিরতার মূল কারণ হলো মিলার, ধান-চালের মজুদদার, পাইকার এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী 'সিন্ডিকেট', যারা বাজারে চালের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়াচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সত্ত্বেও এই সিন্ডিকেটের কারণে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে চালের বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা মধ্যবিত্তদের পছন্দের বিআর-২৮ ও পাইজাম জাতের চালের। গত শনিবার ঢাকার বাজারে এসব চালের কেজি ৫৮-৬৪ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে। এর পাশাপাশি মোটা ও চিকন চালের দামও বেড়েছে, যা এক মাস আগেও ছিল কম। সরকারি সংস্থা টিসিবি জানিয়েছে, গত এক মাসে সাদা চালের দাম ৪ শতাংশ, মাঝারি চালের দাম ৮ শতাংশ এবং মোটা চালের দাম ২ শতাংশ বেড়েছে।

অথচ, বাজারে চালের অভাব নেই, বরং মিলাররা সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকারের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা সঠিকভাবে কার্যকর করা হলে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তবে, সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্টরা তাদের দায় অস্বীকার করছেন এবং পরিস্থিতি উন্নতির আশা কম।

এছাড়াও, সরকার চালের আমদানির শুল্ক কমিয়ে দিলেও, ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। বিশেষ করে, ভারত থেকে আমদানি করলে চালের দাম দেশীয় বাজারের তুলনায় বেশি পড়ছে, যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানিতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চাল আমদানির জন্য ২ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তবে বাজারে চলমান অস্থিরতার কারণে এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

reporter