ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৭:১৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

সিন্ডিকেটের প্রভাবেই অস্থির চালের বাজার, দাম বাড়ছে দিন দিন

reporter

প্রকাশিত: ০১:৩৭:০৮অপরাহ্ন , ১০ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০১:৩৭:০৮অপরাহ্ন , ১০ নভেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

চালের বাজারে বর্তমানে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত কয়েক সপ্তাহে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) চালের দাম ২০০-২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, এবং এক মাসের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম গড়ে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এ অস্থিরতার মূল কারণ হলো মিলার, ধান-চালের মজুদদার, পাইকার এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী 'সিন্ডিকেট', যারা বাজারে চালের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়াচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সত্ত্বেও এই সিন্ডিকেটের কারণে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী বিশেষজ্ঞরা জানান, বর্তমানে চালের বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা মধ্যবিত্তদের পছন্দের বিআর-২৮ ও পাইজাম জাতের চালের। গত শনিবার ঢাকার বাজারে এসব চালের কেজি ৫৮-৬৪ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছে। এর পাশাপাশি মোটা ও চিকন চালের দামও বেড়েছে, যা এক মাস আগেও ছিল কম। সরকারি সংস্থা টিসিবি জানিয়েছে, গত এক মাসে সাদা চালের দাম ৪ শতাংশ, মাঝারি চালের দাম ৮ শতাংশ এবং মোটা চালের দাম ২ শতাংশ বেড়েছে।

অথচ, বাজারে চালের অভাব নেই, বরং মিলাররা সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকারের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা সঠিকভাবে কার্যকর করা হলে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তবে, সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্টরা তাদের দায় অস্বীকার করছেন এবং পরিস্থিতি উন্নতির আশা কম।

এছাড়াও, সরকার চালের আমদানির শুল্ক কমিয়ে দিলেও, ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। বিশেষ করে, ভারত থেকে আমদানি করলে চালের দাম দেশীয় বাজারের তুলনায় বেশি পড়ছে, যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানিতে চরম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চাল আমদানির জন্য ২ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তবে বাজারে চলমান অস্থিরতার কারণে এর কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

reporter