ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৭:১৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

ধানমন্ডিতে গভীর রাতে ছুরিকাঘাতে প্রবাসী চিকিৎসক নিহত

reporter

প্রকাশিত: ১২:২১:৫১অপরাহ্ন , ১৫ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ১২:২১:৫১অপরাহ্ন , ১৫ নভেম্বর ২০২৪

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমন্ডি ১৫ নম্বর রোডের একটি বাসায় গভীর রাতে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে এ কে এম আব্দুর রশিদ (৮৫) নামে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে ধানমন্ডি-১৫ নম্বর এলাকার পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

আহত অবস্থায় আব্দুর রশিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত পৌনে ৪টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হন তার স্ত্রী সুফিরা রশিদ।

ওই ভবনের ভাড়াটিয়া সাইদুর রহমান বাঁধন জানান, আব্দুর রশিদ ও তার স্ত্রী উভয়েই চিকিৎসক এবং যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। তারা প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে দেশে আসেন এবং ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্যে ফিরে যান। সেদিন রাতের চিৎকারে বাঁধনের ঘুম ভাঙে এবং তিনি আব্দুর রশিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন, তার স্ত্রী তখন মাথায় পানি ঢালছিলেন। দ্রুত তাকে স্থানীয় ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।

বাঁধন আরও জানান, হামলাকারী ডাকাতি করতে এসেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, ধানমন্ডি থেকে আহত অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ব্যক্তির বুকে এবং মুখে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

reporter