ছবি: বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত
ইকবাল হাসান মাহমুদ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন—অপরাধ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেছেন, দলীয় পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং দৃশ্যমান পরিবর্তন আনাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শনিবার নিজ নির্বাচনী এলাকা সিরাজগঞ্জ–এ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং পল্লী বিদ্যুৎ, পিডিবি, পেট্রোবাংলা, নেসকো, নওপাজেকো ও পিজিসিবির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ এখন কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাস করে। তাই প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের বিকল্প নেই। কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে এবং কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।
তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে ১৮০ দিনের একটি কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে। তার মন্ত্রণালয়ও ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে জেলার সব দপ্তরকে নিজ নিজ ১৮০ দিনের কর্মসূচি তৈরি করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনগণকে দেখাতে হবে যে পরিবর্তন শুরু হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পে মান বজায় রাখা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি উন্নয়নমুখী সমাজ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
মন্ত্রী আরও বলেন, গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে বাস্তব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। অপরাধ, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের মধ্য দিয়েই সুশাসনের ভিত্তি শক্তিশালী করা সম্ভব।
সবশেষে তিনি কর্মকর্তাদের সততা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন।
reporter


