ছবি: ফাইল ছবি
বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দপ্তর নিজের অধীনে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী তিনি নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বণ্টন করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। শপথের পরপরই ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। দপ্তর বণ্টনের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো কার্যকর হয়।
সরকারি সূত্র জানায়, রাষ্ট্র পরিচালনায় নীতিনির্ধারণ, নিরাপত্তা ও সামরিক সংক্রান্ত বিষয়ে সরাসরি তদারকি নিশ্চিত করতেই প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ এই তিনটি দপ্তর নিজের অধীনে রেখেছেন। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকায় জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্রুততা আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় মোট ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন। এর বাইরে উপদেষ্টাও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দপ্তর বণ্টনের মধ্য দিয়ে প্রশাসনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হলো বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর নিজের অধীনে রেখে প্রধানমন্ত্রী সরকারের নীতি ও নিরাপত্তা কাঠামোতে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চাইছেন। একই সঙ্গে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে দলীয় ও জোটসঙ্গীদের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে।
reporter



