ছবি: ফাইল ছবি
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকালে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি সম্মান জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হওয়ায় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় চেতনার প্রতি সরকারের অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
এদিকে প্রথম কর্মদিবস উপলক্ষে বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে যাবেন। সেখানে বিকেলে তার সভাপতিত্বে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার, প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা এবং নীতিগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আলোচনায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।
একই দিনে প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের—বিশেষ করে সচিবদের—সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসবেন। নতুন সরকারের লক্ষ্য, কর্মপরিকল্পনা এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা বাড়ানোর বিষয়ে এই বৈঠকগুলোতে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ধারাবাহিক কর্মসূচি হাতে নেওয়াকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সক্রিয় ও কার্যকর শাসনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে প্রথম দিনেই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা, সচিবালয় পরিদর্শন এবং ক্যাবিনেট বৈঠকের আয়োজন—এই তিনটি কর্মসূচি সরকারের নীতিগত অবস্থান ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
reporter



