ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৬ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুমোদন: সন্ত্রাসে জড়িত সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত

reporter

প্রকাশিত: ০৭:১৮:১৩অপরাহ্ন , ১১ মে ২০২৫

আপডেট: ০৭:১৮:১৩অপরাহ্ন , ১১ মে ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

সন্ত্রাসে জড়িত ব্যক্তি সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান সংযোজন করে 'সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫'-এর খসড়া নীতিগত চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠক শেষে প্রকাশিত সারসংক্ষেপে জানানো হয়, দেশের নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা রক্ষায় যেসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ করা প্রয়োজন এবং সেসব কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগুলোর কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত করা আবশ্যক—এই বিবেচনায় ২০০৯ সালে 'সন্ত্রাসবিরোধী আইন' প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে সময়ের প্রয়োজনে বাস্তবতার আলোকে এই আইনের সংশোধন জরুরি হয়ে উঠেছে বলে মত দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

বর্তমান আইনে ব্যক্তি পর্যায়ে সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও, কোনো প্রতিষ্ঠান বা সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য আলাদা করে কোনো বিধান ছিল না। নতুন করে প্রস্তাবিত সংশোধনের মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণ করা হয়েছে। সংশোধিত অধ্যাদেশে সরকার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণে মনে করে যে, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত, তাহলে সরকার সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করে উক্ত ব্যক্তি বা সত্তাকে নিষিদ্ধ এবং তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারবে।

এই সংশোধনের মাধ্যমে কেবল সত্তাকে নিষিদ্ধ করাই নয়, তার সকল কর্মকাণ্ড বন্ধের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারও নিষিদ্ধ করা যাবে। এর ফলে সন্ত্রাস সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড বা প্রচারণার বিস্তার রোধে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে।

সরকার সংশোধনী অধ্যাদেশটি খুব শিগগিরই, সম্ভবত সোমবার (১২ মে), আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাদেশ আকারে জারি করবে বলে জানা গেছে। সংশোধনীটি জারি হলে আইনটির প্রাসঙ্গিকতা বাড়বে এবং সমসাময়িক সন্ত্রাসবিরোধী পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন এই সংশোধনী শুধু নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দৃঢ় করবে না, বরং ডিজিটাল অনলাইন জগতে সন্ত্রাস সংশ্লিষ্ট প্রভাব হ্রাসেও ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, ধরনের আইনগত পদক্ষেপ সময়োপযোগী এবং আধুনিক সমাজে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

reporter