ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১১ ক্ষেত্রে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান

reporter

প্রকাশিত: ০৬:২০:১০অপরাহ্ন , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আপডেট: ০৬:২০:১০অপরাহ্ন , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

-সংগৃহীত ছবি

ছবি: -সংগৃহীত ছবি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-গবেষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করেছে। গবেষণা প্রস্তাব গ্রহণের শেষ সময় আগামীকাল রবিবার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) এর ওয়েবসাইটে গিয়ে গবেষণা মেনু থেকে প্রজেক্ট কনসেপ্ট নোট (পিসিএন) ফরম পূরণ ও জমা দিতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের অবশ্যই সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে, অন্যথায় আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। যারা এর আগে গবেষণার জন্য আবেদন করেছেন, তাদেরও নতুন করে আবেদন জমা দিতে হবে।

এইবার মোট ১১টি গবেষণাক্ষেত্র নির্ধারণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, কৃষি, জীবন–সম্পর্কিত বিজ্ঞান, ভৌত বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), মৎস্য, ব্যবসায় শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্নয়ন অধ্যয়ন, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং উন্নয়ন ও জননীতি।

গবেষণা প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য সীমিত নয়। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষক এবং গবেষকরা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এই গবেষণা প্রস্তাবের আওতায় আবেদন করার যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গবেষণা সহায়তা পাওয়ার শর্ত হিসেবে প্রাথমিকভাবে একটি প্রজেক্ট কনসেপ্ট নোট দাখিল করতে হবে। এর ভিত্তিতেই গবেষণা প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে। মৌলিক ও ফলিত গবেষণাকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রস্তাব মূল্যায়নে বেশ কিছু মানদণ্ড বিবেচনা করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে গবেষণা অভিজ্ঞতা, গবেষণা কার্যক্রমের মান ও অবকাঠামো, দেশি ও বিদেশি স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশনার অভিজ্ঞতা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপনার রেকর্ড এবং পূর্ববর্তী গবেষণায় অর্জিত সাফল্য। এসব ক্ষেত্রে যেসব আবেদনকারী এগিয়ে থাকবেন, তাঁদের গবেষণা প্রস্তাবকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই উদ্যোগকে দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণায় মৌলিক ও প্রয়োগভিত্তিক দিকগুলোকে আরও শক্তিশালী করার দাবি উঠেছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ ধরনের পদক্ষেপ শুধু উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার প্রসারেই নয়, বরং বাস্তব সমস্যার সমাধানেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া উন্নয়ন অধ্যয়ন, জননীতি, প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তির মতো সমসাময়িক খাতে গবেষণা আহ্বানকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। তাঁদের মতে, এসব ক্ষেত্রের গবেষণা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও নীতি-প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

আগামীকাল নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রস্তাব জমা শেষ হলে তা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করবে সংশ্লিষ্ট কমিটি। এর পরই উপযুক্ত গবেষকদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে, গবেষণা প্রস্তাব আহ্বানের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জ্ঞানভিত্তিক খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অর্জনের পথে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

reporter