ঢাকা,  রবিবার
১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ১১:৩৫ মিনিট

Donik Barta

গালিগালাজ মানুষ আশা করেনি: ঢাকা-৮ আসনে জয়ের পর মির্জা আব্বাস

reporter

প্রকাশিত: ০১:০৭:৫২অপরাহ্ন , ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ০১:০৭:৫২অপরাহ্ন , ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফাইল ছবি

ছবি: ফাইল ছবি

ঢাকা-৮ আসনে জয়ী হয়ে জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন Mirza Abbas। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-মনোনীত এই প্রার্থী “ধানের শীষ 🌾” প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটাররা দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছেন এবং তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। এজন্য তিনি সবার প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান। শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। ভোটের দিন সবচেয়ে চিন্তার মুহূর্ত প্রসঙ্গে তিনি জানান, কিছু কেন্দ্রে তাদের ব্যালট বাতিল করে দেওয়ার খবর শুনে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। তিনি বলেন, সেই সময় মনে হয়েছিল আল্লাহ তার ধৈর্যের কঠিন পরীক্ষা নিচ্ছেন। তবে শেষ পর্যন্ত প্রমাণ হয়েছে ধৈর্যের ফল ভালো হয়, যদিও পুরো বিষয়টি ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন হওয়া উচিত আনন্দ ও উৎসবের বিষয়, যুদ্ধক্ষেত্র নয়। কিন্তু কেউ কেউ এটিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে, যা মোটেও কাম্য নয়। তিনি দাবি করেন, শুরু থেকেই নির্বাচনের পরিবেশকে সংঘাতমুখী করে তোলা হয়েছিল শুধুমাত্র নিজেকে আলোচনায় আনার উদ্দেশ্যে। ঢাকা-৮ আসনের ফলাফল নিয়ে দেশজুড়ে যে আগ্রহ তৈরি হয়েছিল, তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, জনসম্মুখে যে ধরনের গালিগালাজ করা হয়েছে, তা মানুষ প্রত্যাশা করেনি। এজন্য অনেকেই ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। নির্বাচনের মাঠে তিনি কোনো বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেননি বলেও জানান মির্জা আব্বাস। তার মতে, প্রতিপক্ষ তার সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ন্যারেটিভ তৈরি করে নিজেকে সামনে আনতে চেয়েছে, যা ছিল অপকৌশল। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষের জীবনে এটি হয়তো প্রথম নির্বাচন, কিন্তু তার নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহু শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে লড়াই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবুও এবারের নির্বাচনটি কিছুটা ব্যতিক্রম হয়ে গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়ায় ধৈর্য ও সংযম ধরে রাখাই ছিল তার প্রধান কৌশল বলে উল্লেখ করেন তিনি। ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং সমর্থনকে তিনি নিজের বিজয়ের মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মানুষের এই আস্থা ও ভালোবাসা তাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। নির্বাচনের পর এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সব রাজনৈতিক পক্ষের উচিত সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শন করা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বা ব্যক্তিগত আক্রমণ গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থনেই তিনি বিজয়ী হয়েছেন বলে উল্লেখ করে তিনি আবারও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, তাদের আস্থা ও প্রত্যাশার মর্যাদা রাখাই হবে তার প্রধান দায়িত্ব।

reporter