ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

রেমিট্যান্স প্রবাহে সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে ২৮.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

reporter

প্রকাশিত: ১১:২১:৪৯অপরাহ্ন , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আপডেট: ১১:২১:৪৯অপরাহ্ন , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

-সংগৃহীত ছবি

ছবি: -সংগৃহীত ছবি

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ১৬ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৬৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ৩০২ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৬ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ৩৭১ মিলিয়ন ডলারের বৃদ্ধি ঘটেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান আরও জানায়, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স আয় দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৫৭৩ মিলিয়ন ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই অঙ্ক ছিল ৫ হাজার ৪৪০ মিলিয়ন ডলার। তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত সময়ে রেমিট্যান্স আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ১৩৩ মিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে।

রেমিট্যান্স আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করে এবং অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতি সহায়তার কারণে প্রবাসীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এর ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্স আয় বাড়তে থাকলে তা দেশের আমদানি ব্যয় মেটাতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাপ সামাল দিতে সহায়ক হবে। বিশেষত ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও এই প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দিক নির্দেশ করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকও জানিয়েছে, প্রবাসী আয়ের এই বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও টেকসই করতে ব্যাংকগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

reporter