ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

সেবা কার্যক্রমে বাধা দিতেই নগর ভবনে হামলা: ইশরাক হোসেন

reporter

প্রকাশিত: ০৯:০৮:৫০অপরাহ্ন , ২৪ জুন ২০২৫

আপডেট: ০৯:০৮:৫০অপরাহ্ন , ২৪ জুন ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

আহত কর্মীদের দেখতে ঢাকা মেডিকেলে বিএনপি নেতা; হামলার পেছনে নগর ভবনের দুর্নীতিবাজদের অভিযোগ 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে হামলায় আহতদের দেখতে মঙ্গলবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে নগর ভবন ও আশপাশের আঞ্চলিক কার্যালয়গুলো কার্যত অচল ছিল। সেখানে স্থবিরতা কাটিয়ে জনগণের জন্য জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু করেছেন তারা। তবে এই উদ্যোগ প্রতিপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি বলেই তারা হামলার পথ বেছে নিয়েছে।

ইশরাক বলেন, “স্বৈরাচারের দোসর নগর ভবনের কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে আমাদের কর্মীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। উদ্দেশ্য ছিল আমাদের কর্মীদের হত্যা ও সেবা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো।”

তিনি অভিযোগ করেন, হামলার মাধ্যমে দুই দিক থেকে লাভের চেষ্টা করেছে প্রতিপক্ষরা—একদিকে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ হিসেবে ঘটনা দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা, অন্যদিকে নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে সেবা কার্যক্রম বন্ধে বাধা সৃষ্টি।

ইশরাক আরও বলেন, “এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে নগর ভবনের কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া রুবেল ও কর্মচারী আরিফুজ্জামান প্রিন্স। তারা আগেও বিভিন্ন মেয়রের সময়ে দুর্নীতিতে জড়িত ছিল। বর্তমানে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলেও পরিচিত।”

তিনি দাবি করেন, রুবেল বিভিন্ন টেন্ডারবাজ চক্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে ছাত্র আন্দোলনের নামে সরকারি অফিসে প্রভাব বিস্তার করছে। এদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার সম্পৃক্ততাও বেরিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করেন ইশরাক।

তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

reporter