ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

ব্যানারে নাম ছোট হওয়ায় গাইবান্ধায় বিএনপির দু'পক্ষের সংঘর্ষ

reporter

প্রকাশিত: ১০:৩৬:৫২পূর্বাহ্ন, ০২ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১০:৩৬:৫২পূর্বাহ্ন, ০২ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ব্যানারে নাম ছোট করে লেখাকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠি-সোটা ও ধারালো অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের কুঠিবাড়ি সড়ক, থানা মোড় এবং বাজার সড়কে এই সংঘর্ষ হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ব্যানারে নাম ছোট অক্ষরে লেখাকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক কবির আহমেদ এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দুই পক্ষই একে অপরের প্রতি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং দলীয় কার্যালয়ের আশপাশে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ জানান, ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষে তৈরি করা ব্যানারে তার নাম ছোট অক্ষরে লেখা হয়, যা নিয়ে ফারুক কবির আহমেদের সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তারা ব্যানারটি খুলে ফেলে দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

ফারুক আহম্মেদ দাবি করেন, দলীয় কার্যালয়ে অবস্থানের সময় ফারুক কবিরের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করলে তারা পাল্টা ধাওয়া দেন। তবে তার পক্ষ থেকে কোনো অতিরিক্ত ঘটনা ঘটানো হয়নি বলে তিনি জানান।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফারুক কবির আহমেদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের মতে, এই সংঘর্ষের কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হলেও দুই পক্ষের উত্তেজনা নিরসনের জন্য আরও উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

reporter