ঢাকা,  রবিবার
১৮ জানুয়ারী ২০২৬ , ০৭:৪৯ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* এনসিপি নেত্রী মনিরার অবস্থান ও নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বার্তা * বিটিসিএল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি * বিপিএল ঢাকার পর্ব অনিশ্চয়তায়; নাজমুল ইস্যুতে ক্রিকেটারদের অনড় সিদ্ধান্ত * বিচারাধীন মামলার আপিল কার্যতালিকায়; আলোচনায় বহুল বিতর্কিত রায় * ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা চূড়ান্ত পর্যায়ে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সামরিক হামলার আশঙ্কা * নির্বাচন ব্যত্যয়ের শঙ্কায় গণতন্ত্রের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা * ব্যবসার পরিবেশ গণতান্ত্রিক করতে আমলাতন্ত্র কমানোর প্রতিশ্রুতি দিল বিএনপি নেতৃত্ব * ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খানের বক্তব্যে ঐক্যের আহ্বান * নির্বাচনে মাত্র ৪ শতাংশ নারী প্রার্থী নিয়ে দলগুলোর জবাবদিহি দাবি নারী অধিকারকর্মীদের * নির্বাচনে কারসাজির চেষ্টা হলে পালাতে হবে, সতর্ক করলেন জামায়াত আমির

বিচারাধীন মামলার আপিল কার্যতালিকায়; আলোচনায় বহুল বিতর্কিত রায়

repoter

প্রকাশিত: ০১:০১:৫৬অপরাহ্ন , ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ০১:০১:৫৬অপরাহ্ন , ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ফাইল ছবি

ছবি: ফাইল ছবি

বিচারাধীন একটি উচ্চপ্রোফাইল মামলার আপিল কার্যতালিকাভুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম আলোচিত এই মামলাটিতে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ যুক্ত ছিল এবং বিচারিক ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছিল; রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আট দফা যুক্তি উপস্থাপন করে রায়ের কঠোরতা বাড়ানোর আবেদন জানান এবং সেই আবেদনের প্রেক্ষাপটেই আপিলটি চেম্বার আদালতের বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় ৫৮ নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত হয়, যা থেকে বিষয়টির বিচারিক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে; ছাব্বিশের জুলাই–আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সংঘটিত বলে অভিযোগ থাকা মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধান, সাক্ষ্যগ্রহণ ও অভিযোগপত্র দাখিলসহ ধাপে ধাপে বিচারের প্রক্রিয়া এগোয় এবং আদালতের রায় ঘোষণার পর দেশে-বিদেশে রাজনৈতিক, আইনগত এবং মানবাধিকার মহলের মধ্যে নানা মাত্রার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়; আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার বিষয়টি মামলাকে আরও স্পর্শকাতর করে তোলে, কারণ উচ্চ আদালতের পর্যায়ে বিষয়টি নতুন আইনি ব্যাখ্যা ও প্রমাণ বিশ্লেষণের সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা একইসঙ্গে মামলার ভবিষ্যৎ আদালত নির্দেশিত সময়সীমার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে; এদিকে মামলার অন্য আরেক অভিযুক্ত—সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক—পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে নিজেও আপিল করেছেন, ফলে পুরো মামলাটি এখন বহুমাত্রিক আপিল প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রবেশ করেছে এবং বিভিন্ন পক্ষই আদালতের রায় ও আইনি ধাপ সম্পর্কে সতর্ক দৃষ্টিতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে; আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ আদালতের আপিল প্রক্রিয়ায় রায়ের ব্যাখ্যা, সাক্ষ্য-প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা ও আইনগত প্রশ্ন পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ থাকে, যার মধ্য দিয়ে মামলার পরিণতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রও তৈরি হয়, অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিচারিক সিদ্ধান্ত যেমন আইনের ব্যাখ্যায় নতুন অধ্যায় যুক্ত করতে পারে, তেমনি সংবেদনশীল মামলার আপিল তালিকাভুক্তি রাজনৈতিক মাঠেও প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত নির্বাচনী উত্তেজনা বা নীতি সংশ্লিষ্ট বিতর্কের সময়; তবে আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় পক্ষ-বিপক্ষের মন্তব্য পরিমিত হয়ে এসেছে এবং সরকারি ও বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াগুলোও তুলনামূলকভাবে সংযত; মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বিশ্বব্যাপী জটিল এবং এতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় থাকে, তাই আপিল ধাপে বেশি সময় নেওয়া নতুন কিছু নয়; একই সময়ে আদালতের সূচি, সাক্ষ্য উপস্থাপন এবং আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক মামলার গতি নির্ধারণ করবে; সামগ্রিকভাবে আপিল তালিকাভুক্তির মধ্য দিয়ে মামলাটি এক গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক ধাপে প্রবেশ করেছে এবং আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত বিষয়টির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থেকে যাচ্ছে, তবে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিশ্লেষকরা বলছেন যে, উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত বিচারব্যবস্থা, দায়বদ্ধতা ও ঐতিহাসিক অভিযোগ মোকাবিলায় নতুন রেফারেন্স তৈরি করতে পারে।

repoter