ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

সিএ কর্মকর্তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় দুই গ্রেপ্তার

reporter

প্রকাশিত: ১০:৫০:৪৩অপরাহ্ন , ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১০:৫০:৪৩অপরাহ্ন , ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) হাসান আলীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর ঘটনায় মূল হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ফারুক মিয়া সুমন ও আরিফ ইমরান খান।

শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এ তথ্য জানান।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় হাসান আলী তার দুই সহকর্মী বাশার ও ইমাম হোসেনসহ তেজগাঁও রহমানস রেগনাম সেন্টার ভবনে অফিস থেকে বের হন। হাসান যখন অফিস থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি তাকে পিছু নেয়। কিছুক্ষণ পর ৮ থেকে ১০ জন লোক তাকে ঘিরে ধরে এবং মারধর শুরু করে। ওই সময় হাসানের পকেটে ১৯৩ পিস ইয়াবা ঢুকিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসানকে থানায় নিয়ে আসে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশের পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি ফারুক মিয়া সুমন এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতা আরিফ ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অফিস সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সহকর্মী আরিফ ইমরান হাসান আলীকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করে। সাবেক গাড়িচালক ফারুককে পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে সে এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, "ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। এর সঙ্গে পুলিশের কেউ জড়িত নয়। মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের একজন আদালতে নিজের দায় স্বীকার করেছে।"

ভুক্তভোগী সিএ কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, "আমার সহকর্মীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আমাকে ফাঁসানো হয়। বিনা অপরাধে আমাকে সাত দিন কারাভোগ করতে হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি আমি জামিনে মুক্ত হই।"

reporter