ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৭:১৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক

reporter

প্রকাশিত: ১১:২৩:২৯পূর্বাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১১:২৩:২৯পূর্বাহ্ন, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত

ছবি: বাংলার বার্তার নিজস্ব ক্যামেরায় ধারণকৃত

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক শরীয়তপুর পৌরসভা মাঠে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের জনসভায় বলেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায় এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন এখনও পূর্ণ হয়নি এবং গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে সাধারণ মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থা ক্রমশ অস্থিতিশীল হচ্ছে এবং জনগণ প্রায়শই ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সমাজে হতাশা এবং অসন্তোষ সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেন, এখন সময় এসেছে দেশের মানুষের অধিকার ও কল্যাণের জন্য রুখে দাঁড়ানোর, কারণ যেকোনো সংস্কার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এই প্রসঙ্গে তিনি জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে গণভোটে 'হ্যাঁ' বাক্সে সিল দেয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী শরীয়তপুর জেলা শাখার আমীর আব্দুর রব হাসেমীর সভাপতিত্বে শরীয়তপুর-১ আসনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী জালালুদ্দিন আহমেদ এবং অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মামুনুল হক উল্লেখ করেন, এইবারের সংসদ নির্বাচন হবে সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রতীক, এবং দেশের মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং সক্রিয়ভাবে ভোটে অংশগ্রহণ করে, তবে দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। তিনি আশ্বাস দেন যে, শাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর নীতির অবসান ঘটানো সম্ভব হবে, যাতে বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ এবং সুশাসিত রাষ্ট্রে পরিণত হয়। তিনি আরও বলেন, জনগণকে নিজেদের ভোটাধিকার কাজে লাগিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে দৃষ্টির অবনতি হওয়া উচিত নয়। জনসভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দও স্বীকৃতি দেন যে, দেশের রাজনৈতিক সংস্কারে জনগণের অংশগ্রহণই মূল চালিকাশক্তি, এবং কোনো দল বা শাসকগোষ্ঠী এককভাবে পরিবর্তন আনতে পারবে না। তিনি জনগণকে অনুরোধ করেন, নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন, ন্যায় ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুন, এবং দেশের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন।

reporter