ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

শাপলা প্রতীকের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেবে না নির্বাচন কমিশন: সিইসি

reporter

প্রকাশিত: ০৫:৫৭:৪২অপরাহ্ন , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আপডেট: ০৫:৫৭:৪২অপরাহ্ন , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

-সংগৃহীত ছবি

ছবি: -সংগৃহীত ছবি

শাপলা প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবিদাওয়ার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি জানিয়েছেন, এ প্রতীক কেন দেয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা দেয়ার কোনো প্রয়োজন মনে করছে না কমিশন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও অগ্রগতির বিষয়ে ব্রিফিংয়ের সময় সিইসি জানান, শাপলা প্রতীক নিয়ে কমিশন যেভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাই কার্যকর হবে। নাগরিক ঐক্য প্রথমে এ প্রতীক দাবি করলেও তা দেয়া হয়নি। পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)ও একই প্রতীক চাইলে তাদেরকেও দেয়া হয়নি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, প্রতীক নিয়ে হুমকিসূচক বক্তব্য বা চাপ প্রয়োগের চেষ্টা কমিশনকে প্রভাবিত করতে পারবে না। “শাপলা প্রতীক না দিলে নির্বাচন কিভাবে হয় দেখে নেবো” – এ ধরনের বক্তব্য কমিশন হুমকি হিসেবেই বিবেচনা করছে। তবে কমিশন কারও প্ররোচনা বা চাপে নয়, নিজস্ব সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা অনুসারেই কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, কমিশনের কাজ হলো সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সমান মাঠ বা ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। এ ক্ষেত্রে কোনো দল বা প্রার্থী বিশেষ সুবিধা পাবে না। সবাই সমানভাবে প্রচারণা চালানোর ও প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। এর জন্য প্রয়োজনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে কমিশন।

সিইসি নাসির উদ্দিন পরিষ্কার ভাষায় জানান, ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন নানা জল্পনা-কল্পনা থাকলেও কমিশন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগোচ্ছে। নির্বাচন পেছানোর বা অনিশ্চিত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে চায়। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব কমিশনের, আর সেটি পালনে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ বা বাহ্যিক চাপকে কমিশন প্রশ্রয় দেবে না। প্রতীক বরাদ্দের মতো বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, এর জন্য বাড়তি ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন নেই।

কমিশনের এই অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার পর প্রতীক ইস্যুতে আর কোনো ছাড় আসবে না বলেও ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তুতি এখন জোরদার হচ্ছে। তবে প্রতীক বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুসারেই সবকিছু নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং ভোটাররা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।

reporter