ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৪ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

পঞ্চম ওয়ানডেতে হার, সিরিজ নিশ্চিত হলো না বাংলাদেশের

reporter

প্রকাশিত: ০৭:১৫:২৪অপরাহ্ন , ০৫ মে ২০২৫

আপডেট: ০৭:১৫:২৪অপরাহ্ন , ০৫ মে ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ছয় ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের পঞ্চম ম্যাচে হারের তেতো স্বাদ নিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ২৭ রানে হারতে হয়েছে তামিম ইসলামদের। সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচটি জিতলেই সিরিজ নিশ্চিত হতো বাংলাদেশের। কিন্তু এই হার শ্রীলঙ্কাকে সিরিজে টিকে থাকার সুযোগ করে দিলো এবং শেষ ম্যাচকে পরিণত করলো একপ্রকার ফাইনাল লড়াইয়ে।

টস ভাগ্য এদিন পাশে পায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ভিমাথ দিনসারা টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। লঙ্কান দলে তিন নতুন মুখের অভিষেক ঘটে, যার মধ্যে কিপার-ব্যাটার আধাম হিলমি সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক ভিমাথ দিনসারা করেন ৪২ রান।

বাংলাদেশের পক্ষে এদিন একাদশে জায়গা পান নতুন মুখ সাদ ইসলাম, যিনি ইন-ফর্ম বোলার আল ফাহাদের জায়গায় দলে অন্তর্ভুক্ত হন। অভিষেকেই ২ উইকেট নিয়ে নিজের দক্ষতার জানান দেন তিনি। এছাড়া রিজন হোসেন ও ফারহান শাহরিয়ারও দুটি করে উইকেট নেন। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট তুলে নেন সামিউন বাশির রাতুল। ফলে শ্রীলঙ্কা ৪২.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানে থেমে যায়।

লক্ষ্যমাত্রা ছোট হলেও শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৭ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটার—জাওয়াদ, তামিম ও কালাম সিদ্দিকী আলিন। আগের ম্যাচে দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করা রিজন হোসেনও থেমে যান ২৫ রানে। জাওয়াদ ৭, তামিম ৪ ও আলিন ১ রান করে বিদায় নেন। দলের স্কোর যখন ১০৫, তখন ৬ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় সফরকারীরা।

এই অবস্থায় ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করেন সামিউন বাশির রাতুল। ফরিদ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়েন তিনি। কিন্তু দ্রুত রান তুলতে গিয়ে ২৬ বলে ৩৭ রান করে বোল্ড হয়ে যান রাতুল। এরপর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ৩২ এবং দেবাশিষ দেবা ২৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও শেষরক্ষা হয়নি। রাতুল ফেরার পর দ্রুতই আরও দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে দ্রুত রান নিতে গিয়ে রান আউট হন সাদ ইসলাম। তাতে ১৬৯ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। অপরপ্রান্তে ফরিদ হাসান অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে।

লঙ্কান বোলারদের মধ্যে ভিরান চামুদিথা ও কুগাথাস মাথুলান তিনটি করে উইকেট শিকার করেন।

এই জয়ের মাধ্যমে সিরিজে ব্যবধান দাঁড়াল ৩-২। বৃহস্পতিবার একই মাঠে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচ। ম্যাচটি এখন হয়ে উঠেছে দুই দলের জন্যই সিরিজ জয়ের লড়াই।

reporter