ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

মিরপুরে মোল্লা বস্তি উচ্ছেদ, ব্যক্তিমালিকানাও বাদ যায়নি!

reporter

প্রকাশিত: ০৭:২৭:৩৪অপরাহ্ন , ২২ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৭:২৭:৩৪অপরাহ্ন , ২২ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর ১২ নম্বর ঝিলপাড়ে ঢাকা সাংবাদিক সমিতির বরাদ্দকৃত সাত একর জমি উদ্ধারে বস্তি উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। গত মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ সদস্যরা এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযোগ উঠেছে, অভিযানে গৃহায়ণের জমি নয়, এমন জমি থেকেও বস্তি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে প্রায় ২০ হাজারের বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। অনেককেই খোলা আকাশের নিচে মালামাল নিয়ে রাত কাটাতে দেখা গেছে। ঠান্ডার মধ্যে আগুন জ্বালিয়েও অনেকেই রাত কাটিয়েছেন। কেউ কেউ নতুন ঠিকানার সন্ধানে রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটকে হুকুম দখল হয়নি (কিছু জমি) এমন তথ্য সরবরাহ করা সত্ত্বেও তিনি কর্ণপাত করেননি। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে গড়ে ওঠা একটি গরুর খামারের প্রায় পুরোটাই ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে বস্তির বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল, যার ফলে আশেপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে। স্থানীয় হোটেলগুলোতেও খাবারের সংকট দেখা দেয়। ২০০৬ সালে ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতিকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ঝিলপাড়ে সাত একর জমি বরাদ্দ দেয়। সমিতির দাবি, তিন বছর পর জমিটি বেদখল হয়ে যায়। সমিতির সভাপতি সদরুল হাসান জানান, বর্তমান সরকারের আমলে জমিটি পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার লোকজন জমিটি দখল করেছিল এবং প্রতিবার উচ্ছেদের পর তারাই আবার দখল করে নিত।তবে সদরুল হাসানের এ দাবির বিপরীতে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানান, ইলিয়াস মোল্লা ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অথচ সমিতি ২০০৬ সালে জমি বরাদ্দ পায়। বরং সমিতির লোকজনকে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এর মধ্যে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কাগজপত্র সংশোধন করে নেওয়ার বিষয়টিও ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। গত বছর জমি বুঝে নেওয়ার অংশ হিসেবে একটি পেন্টাগ্রাফ (জমির প্রকৃত অবস্থান বের করতে তুলনামূলক নকশা) তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর আগায়নি বলেও তিনি জানান।যারা এই জমির আদি মালিক ছিলেন, তাদের কেউ কেউ ঘর বানিয়েছিলেন বলেও তিনি জানান। আগাম নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাসিন্দারা পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। তবে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাইয়েবুর রহমান আশিক জানিয়েছেন, আগাম নোটিশ দেওয়ার পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

-নজরুল ইসলাম 

বার্তা সম্পাদক

reporter