ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩১ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

কেশবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী পালন

reporter

প্রকাশিত: ০৪:৫৯:০১অপরাহ্ন , ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৪:৫৯:০১অপরাহ্ন , ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

যশোরের কেশবপুরে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৮৯তম জন্মবার্ষিকী শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়েছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে কেশবপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেশবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ।

আলোচনা সভায় আবুল হোসেন আজাদ বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন অসাধারণ দেশপ্রেমিক, অসম সাহসিকতার প্রতীক এবং সততা ও সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের মূর্ত উদাহরণ। তিনি শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই থেমে থাকেননি, রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেও বীরত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানচিত্রে পরিচিতি লাভ করে এবং দেশের মর্যাদা বিশ্বে সমুন্নত হয়।

বক্তারা আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, সৈনিক জীবনের সততা, এবং জনকল্যাণমুখী শাসন ব্যবস্থা আজও দেশের মানুষ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেন, বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নত করতে তার প্রচেষ্টা ছিল অবিস্মরণীয়।

সভায় বক্তারা তার শাসনামলের দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা এবং নিরলস পরিশ্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, স্বল্প সময়ের শাসনকালেও তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং একটি নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার সততা এমনই নিখুঁত ছিল যে, মৃত্যুর পর তার রাজনৈতিক বিরোধীরাও তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ন কবীর সুমন এবং কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর কবির।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তার অবদান ও দেশপ্রেম চিরকাল এ জাতির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে।

reporter