ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

জনতার হাতে আটক সাবেক টিএসআই, ক্ষমা চাইলেন

reporter

প্রকাশিত: ০৮:৩৬:১৬অপরাহ্ন , ২৩ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ০৮:৩৬:১৬অপরাহ্ন , ২৩ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর সুধারাম থানার সাবেক টিএসআই লিটন চন্দ্র দত্ত জনতার হাতে আটক হয়েছেন। রবিবার (২৩ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। সাক্ষ্য দিতে আসার সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ঘিরে ধরে এবং তিনি তাদের কাছে ক্ষমা চান।

এ সময় টিএসআই লিটনের আটক হওয়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি জনতার কাছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। স্থানীয়রা জানায়, লিটন গত ১০ বছর মাইজদী শহরে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। এ সুযোগে তিনি স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করেন এবং ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে জড়িত হন।

বিএনপি নেতারা জানান, লিটন দত্ত বিগত ফ্যাসিবাদের দোসর ছিলেন। তার অত্যাচারে বিএনপি নেতারা ঘরে ঘুমাতে পারতেন না। বিভিন্ন অজুহাতে মামলার ভয় দেখিয়ে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেন। রবিবার দুপুরে আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসার খবরে ভুক্তভোগীরা আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। কোনো অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

reporter