ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

ইসরায়েলি কারাগার থেকে ২০০ ফিলিস্তিনির মুক্তি

reporter

প্রকাশিত: ০৮:৫৩:১৮অপরাহ্ন , ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৮:৫৩:১৮অপরাহ্ন , ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে ২০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। এই বন্দিদের মুক্তি ২৫ জানুয়ারি শনিবার ইসরায়েলি কারাগার থেকে দেওয়া হয়।

মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দিদের স্বাগত জানাতে রামাল্লায় বিপুল সংখ্যক মানুষ সমবেত হয়েছেন। তাঁরা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বন্দিদের বহনকারী গাড়িবহরকে ঘিরে রাখেন।

হামাস জানায়, বিনিময়ে গাজার চার ইসরায়েলি সেনাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বন্দিদের মধ্যে ১২১ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এবং ৭৯ জন দীর্ঘ মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত রয়েছেন। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বয়সী বন্দির বয়স ৬৯ এবং সবচেয়ে ছোট বন্দির বয়স ১৫ বছর।

পূর্বে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় ১৯ জানুয়ারি প্রথম দিনে ইসরায়েল ৯০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়। ওই সময় মুক্তি পাওয়া বেশিরভাগ বন্দি সম্প্রতি আটক হয়েছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন সাজা ঘোষণা করা হয়নি।

বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে, হামাসের হাতে আটক ৩৩ ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েল কয়েকশ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে রাজি হয়েছে। এই চুক্তি ছয় সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে এবং এর ফলে গাজার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে হামাসের হাতে থাকা বাকি ইসরায়েলি জিম্মিরাও মুক্তি পাবেন এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে। তৃতীয় ধাপে গাজার পুনর্গঠন কাজ শুরু হবে, যা কয়েক বছর সময় নিতে পারে। এছাড়া, মৃত ইসরায়েলি জিম্মিদের মরদেহও ফেরত দেওয়া হবে।

reporter