ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

গত ১৮ বছরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএনপি: মজনু

reporter

প্রকাশিত: ০৭:৩৫:০৩অপরাহ্ন , ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৭:৩৫:০৩অপরাহ্ন , ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু বলেছেন, গত দেড়যুগে বিনা ভোটের সরকার দেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। লুটপাট করে দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য তারেক রহমান ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এই ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।

রবিবার বিকেলে গ্রিন রোড গভ. স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে কলাবাগান থানা বিএনপি আয়োজিত 'রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে তারেক রহমানের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি' শীর্ষক কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৮ বছরের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিএনপি। এখন কেউ কেউ এসব অস্বীকার করে নিজেদের জাহির করতে চায়। তবে যদি সকল ক্ষেত্রে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করা যায়, তবে বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে বৈষম্যহীন ও শোষণহীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন। বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন অসীম, কেন্দ্রীয় নেতা শেখ রবিউল আলম রবি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন ৩১ দফা কর্মসূচির বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনউর রশিদ হারুন, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, এস কে সিকান্দার কাদির, মজিবুর রহমান মজুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দীন অসীম বলেন, গত ১৭ বছর আমরা আন্দোলন করেছি, কারও চোখ রাঙানির জন্য নয়। কিছু দল স্বপ্ন দেখে তাদের নেত্রী নির্বিঘ্নে দেশে ফিরে আসবে, কিন্তু আমরা বলছি, আপনার নেত্রীকে আসতে হবে না, আমরা ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে ধরে আনব।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, বিএনপি কারও দয়ার উপর নির্ভরশীল হয়ে রাজনীতি করেনি। নিজেদের শক্তিতেই বিএনপি রাজনীতি করেছে এবং স্বতন্ত্র পরিচয়েই টিকে আছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সুপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত নিয়েই ছাত্রদের ব্যানারে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সত্যিকারের গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টির জন্য যা যা প্রয়োজন, তা-ই করছে। কিছু দল আছে, যারা নিজেদের কৃতিত্ব জাহির করতে ব্যস্ত। এ ধরনের 'ক্রেডিটখোরদের' বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

কেন্দ্রীয় নেতা শেখ রবিউল আলম রবি বলেন, কার্যকর বাংলাদেশ গড়তে হলে দুটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে—জনগণের অধিকার সংরক্ষণ এবং প্রতিষ্ঠানসমূহকে কার্যকর রাখা।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, বিএনপি কারও দাসত্ব স্বীকার করে না। এদেশের গণমানুষের সমর্থন নিয়েই বিএনপি রাজনীতি করে। বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কার্যকলাপ বিএনপি বরদাশত করবে না।

reporter