ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

এনবিআরের ৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

reporter

প্রকাশিত: ০৮:০৭:৫৩অপরাহ্ন , ০২ জুলাই ২০২৫

আপডেট: ০৮:০৭:৫৩অপরাহ্ন , ০২ জুলাই ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত, আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবসরে পাঠালো সরকার

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে চলমান প্রশাসনিক টানাপোড়েনের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে চারজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের অবসরের আদেশ দেওয়া হয়।

চাকরির ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় এবং ‘জনস্বার্থে’ তাদের এ অবসর প্রদান করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী সরকার মনে করেছে—জনস্বার্থে তাদের এখনই অবসর দেওয়া প্রয়োজন।

বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন—কাস্টমস বিভাগের শুল্কনীতির সদস্য হোসেন আহমদ, ভ্যাটনীতির সদস্য ড. আব্দুর রউফ, আয়কর বিভাগের সদস্য আলমগীর হোসেন এবং কর কমিশনার শাব্বির আহমদ।

এই চার কর্মকর্তা এনবিআরের অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও দাবিদাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তাদের নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছিল। এনবিআর প্রশাসনে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সরকারের এ সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে জানানো হয়, কর্তৃপক্ষীয় ক্ষমতাবলে এই অবসর আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। তাদের আর সরকারি কোনো দায়িত্বে রাখা হবে না।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কোনো চাপ ছিল কি না—তা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এনবিআরের কিছু পদক্ষেপ ও অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সরকারের উচ্চমহলে অসন্তোষ ছিল।

বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কেউই এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ থাকলেও তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি।

সরকারের এমন পদক্ষেপ এনবিআরের অভ্যন্তরীণ চলমান সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। তবে সরকারি মহল থেকে জানানো হয়েছে, এটি শুদ্ধি প্রক্রিয়ার অংশ এবং জনস্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

reporter