ঢাকা,  শুক্রবার
৯ জানুয়ারী ২০২৬ , ০২:৪০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* যুক্তরাষ্ট্রে ২০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতে ভেনেজুয়েলার নতুন চুক্তি * এবার রাশিয়ার তেলের জন্য ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা * প্রয়োজনে খামেনিকে হত্যা—মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় মার্কিন সিনেটরের নতুন হুঁশিয়ারি * বাপ্পী কলকাতায় আত্মগোপনে, হাদি হত্যা মামলায় ৫৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ * পাতানো নির্বাচন আর হবে না: সিইসি * হাদি হত্যাকাণ্ডে গুলি চালানো ফয়সাল বিদেশে অবস্থানের ভুয়া দাবি করেছে, প্রকৃত অবস্থান ভারতে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ * ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ ও ব্যানার ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের কঠোর ও পরিবেশবান্ধব নির্দেশনা * হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ * দেশে পরপর দুই ভূমিকম্প, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের বড় ঝাঁকুনির আশঙ্কা * মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে আজ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুরু

এবার রাশিয়ার তেলের জন্য ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা

repoter

প্রকাশিত: ১২:২৬:০৪অপরাহ্ন , ০৮ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১২:২৬:০৪অপরাহ্ন , ০৮ জানুয়ারী ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন পররাষ্ট্র-বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে রাশিয়া থেকে সস্তায় অশোধিত তেল কেনা দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপের পদক্ষেপ বিবেচনা করছেন, যার ফলে ভারতসহ বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলো ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্কের মুখোমুখি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি কেবল অর্থনৈতিক নয়, ভূরাজনৈতিকভাবে তা উল্লেখযোগ্য, কারণ ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে রাশিয়া তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ছাড় দিয়ে পশ্চিমের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর চেষ্টা করছে এবং ভারত সেই সুযোগটি ধরে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে, এতে রাশিয়া যুদ্ধ অর্থায়নে সুবিধা পাচ্ছে, যা পশ্চিমা শক্তির স্বার্থ ও ন্যাটো জোটের কৌশলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইতিপূর্বে ট্রাম্প প্রশাসন একই কারণে ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের খরচ বাড়িয়ে দিয়েছিল, কিন্তু এবার প্রস্তাবটি আরও কঠোর এবং বহুমাত্রিক, যাতে চীন ও ব্রাজিলের মতো দেশগুলোকেও টার্গেট করা হচ্ছে। শুল্কের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে, বিশেষত যখন ভারত অভ্যন্তরীণ ভোক্তা ও জ্বালানি নিরাপত্তা বিবেচনায় রাশিয়ার সঙ্গে লেনদেন বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও একই সময় বাণিজ্যিক চাপের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে, যাতে ভারতকে বিকল্প জ্বালানি উৎসের দিকে সরানো যায়। ফলে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কূটনৈতিক ভারসাম্য, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন এক পর্যায় শুরু হয়েছে, যেখানে তেলের বাজার, নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কৌশলগত জোটগুলো একসঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নির্ভর করবে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ভোটাভুটি, ভারতের কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ওপর রাশিয়ার ভূমিকার ওপর।

repoter