ছবি: প্রতীকী ছবি
ভোররাতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে সিলেটসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি করেছে, সোমবার ভোরে প্রথম কম্পন অনুভূত হওয়ার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার মাটি কেঁপে ওঠায় অনেক মানুষ ঘুম ভেঙে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন, ভূমিকম্পের এই জোড়া কম্পন শুধু বাংলাদেশেই নয়, পার্শ্ববর্তী ভারতের আসাম রাজ্যেও স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল মাঝারি পর্যায়ের এবং দ্বিতীয় ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে আরও শক্তিশালী হওয়ায় তা মানুষের মধ্যে বাড়তি ভীতি তৈরি করে, দুই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলই ভূপৃষ্ঠের বেশ গভীরে হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না পাওয়া গেলেও টানা দুবার কম্পনের ঘটনা ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকির বিষয়টিকে নতুন করে সামনে এনেছে, ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন দ্বিতীয় কম্পনের মাত্রা যেহেতু মধ্যম পর্যায়ের উপরের দিকে, তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক বা পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না, এই আফটারশক বাংলাদেশের অভ্যন্তরের কোনো সক্রিয় ফল্ট লাইনে অথবা উত্তর ও পূর্বাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের অপ্রয়োজনে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে ভাবনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, সব মিলিয়ে পরপর দুই ভূমিকম্পের ঘটনা প্রাকৃতিক দুর্যোগের বাস্তবতা আবারও মনে করিয়ে দিয়ে গেছে এবং সামনে কয়েক দিন সতর্ক থাকার বার্তাই জোরালো হয়ে উঠেছে।
repoter

