ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রিভিউ শুনানি ২৩ জানুয়ারি

reporter

প্রকাশিত: ১২:১১:৫৪অপরাহ্ন , ০৯ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১২:১১:৫৪অপরাহ্ন , ০৯ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ২৩ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

জামায়াত নেতা আজহারের পক্ষে আদালতে শুনানির আবেদন উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী এবং ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় আপিল বিভাগ বহাল রাখেন। এই রায় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আজহারুল ইসলাম রিভিউ আবেদন করেন।

এর আগে, ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতা আজহারকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রংপুর অঞ্চলে সংঘটিত গণহত্যা, হত্যাকাণ্ড, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতন এবং অগ্নিসংযোগসহ ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় আজহারের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে ১ নম্বর অভিযোগ ছাড়া বাকি পাঁচটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালে আজহারুল ইসলাম রংপুরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১,২৫৬ জনকে হত্যা ও গণহত্যা করেন। এছাড়াও, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক ও নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধে জড়িত ছিলেন তিনি।

এই রায়কে জামায়াতে ইসলাম প্রহসনের রায় বলে আখ্যা দিয়ে আসছে। তবে আপিল বিভাগে রিভিউ শুনানির মাধ্যমে আজহারুল ইসলাম নতুন করে তার রায়ের পুনর্বিবেচনা চান। আগামী ২৩ জানুয়ারির শুনানিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে আদালত।

reporter