ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

ভারতের সঙ্গে সকল চুক্তি বাতিলের দাবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান

reporter

প্রকাশিত: ০৬:৪৪:৪৭অপরাহ্ন , ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৬:৪৪:৪৭অপরাহ্ন , ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

ঢাকা, সোমবার — ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সকল চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন নামে একটি সংগঠন। সোমবার দুপুরে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত হয়ে এই দাবি জানায় এবং আগামী ছয় দিনের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আলটিমেটাম দেয়।

প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনের সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া, দপ্তর বিষয়ক সদস্য শাকিল আহমেদ, এবং প্রচার ও বিষয়ক সদস্য তারেক আজিজ। স্মারকলিপি প্রদান শেষে সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে প্রভু-দাস নীতিতে পরিচালিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সরকারের জবাবদিহিতার অভাবের কারণে বিগত বছরগুলোতে ভারতের সঙ্গে প্রায় শ খানেক অসম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দেশের শিল্প-বাণিজ্য, সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আলামিন আটিয়া বলেন, “এমনকি সীমান্ত হত্যা এবং নদীগুলোর পানি বণ্টনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণ উপনিবেশিক আচরণের শিকার হয়েছেন। আমরা মনে করি, এই সকল চুক্তি বাতিল করে প্রয়োজন হলে উভয় দেশের নীতি নির্ধারকরা পুনরায় বৈঠক করে সমান স্বার্থ নিশ্চিত করে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন।”

আগামী ছয় দিনের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উদ্যোগ না নেওয়া হলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।

সংগঠনের আহ্বায়ক ওয়ালী উল্ল্যাহ এ বিষয়ে বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ভারতের আগ্রাসন মেনে নেবে না। ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, তাদের এই বিষয়টি মাথায় রেখে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন মনে করে, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করাই দেশের সকল নাগরিকের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

সংগঠনটি আরও জানায়, বাংলাদেশের জনগণের সম্মিলিত স্বার্থ ও অধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকতে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ভারতের সঙ্গে সকল অসম চুক্তি বাতিল এবং নতুন চুক্তি তৈরির মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে সাম্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তি স্থাপনে তারা সোচ্চার থাকবে।

reporter