ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

ট্রাম্পের ২৯ মিলিয়ন ডলার দাবি সঠিক নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

reporter

প্রকাশিত: ০৯:৫৫:৩৭অপরাহ্ন , ০৩ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ০৯:৫৫:৩৭অপরাহ্ন , ০৩ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউএসএআইডির অর্থায়নে ‘স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়িত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ইউএসএআইডি যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল (ডিআই)কে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়। ২০১৭ সালের মার্চে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ডিআই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। প্রকল্পটির মেয়াদ ও বাজেট ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করা হয়।

প্রকল্পটির প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ৫ বছর এবং বাজেট ছিল ১৪ মিলিয়ন ডলার। এতে ইউএসএআইডি ছাড়াও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ডিএফআইডি (বর্তমানে এফসিডিও) ১০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক সহিংসতা হ্রাস, শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি, রাজনৈতিক দলগুলোর সক্ষমতা উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার প্রসার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইউএসএআইডির প্রকল্প বাস্তবায়নে মার্কিন সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও এর নথিপত্র সংরক্ষণ ও প্রয়োজনে পুনর্নিরীক্ষা করা হয়। মন্ত্রণালয় আরও বলছে, এসপিএল প্রকল্পটি বাংলাদেশের দুই ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে প্রদান করার অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।

মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে বলেছে, এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষের কোনো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

reporter