ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪১ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিরতা রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি

reporter

প্রকাশিত: ১২:৪৭:৪৩পূর্বাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ১২:৪৭:৪৩পূর্বাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিরতা রোধে কঠোর অবস্থানে নেমেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও জেলা প্রশাসন। ভোক্তাদের ভোগান্তি কমাতে নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রি নিশ্চিত করতে সরাসরি বাজার মনিটরিং করছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। কোনো ব্যবসায়ী নির্ধারিত মূল্য অমান্য করলে জেল-জরিমানার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব সত্ত্বেও ভোক্তাদের ভোগান্তি কাটছে না।

গত দুই মাস ধরে চট্টগ্রামে সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসক খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। তবে রমজানে ছোলা, খেজুর, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্যের দাম নাগালের মধ্যে থাকলেও সয়াবিন তেলের বাজার অস্থিতিশীল রয়ে গেছে। জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ টিমের অভিযানেও তেমন উন্নতি দেখা যায়নি।

এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমদানিকারকরা প্রতি লিটার ১৫৩ টাকায়, পাইকারি বিক্রেতারা ১৫৫ টাকায় এবং খুচরা বিক্রেতারা ১৬০ টাকায় তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সভায় সতর্ক করে বলেন, কারসাজি করে তেলের সংকট তৈরি করলে ব্যবসায়ীদের গুদামে অভিযান চালানো হবে এবং মজুতদারি করলে সংশ্লিষ্টদের জেল দেওয়া হবে।

গত বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কাজির দেউড়ি বাজার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সয়াবিন তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও দাম পরিস্থিতি খোঁজখবর নেন। মেয়র জানান, বাজার স্থিতিশীল রাখতে চসিক ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিটি বাজারে মনিটরিং টিম কাজ করছে। তিনি ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জনগণ এখন সচেতন। কেউ যদি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম চায়, তাহলে প্রতিবাদ করুন এবং ম্যাজিস্ট্রেট টিমকে জানান।’

এদিকে চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যার নেতৃত্বে ব্যাটারি গলি বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পণ্যের মূল্য তালিকা না রাখায় ১২টি দোকানকে জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বহদ্দারহাট ও খাতুনগঞ্জে অভিযান চালানো হয়। জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স চকবাজার, বড়পুল বাজার, পাহাড়তলী বাজার এবং পুরাতন পোর্ট বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘রমজান সংযমের মাস, কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার লোভে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন জনগণকে স্বস্তি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যতদিন বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না আসে, ততদিন আমাদের অভিযান চলবে।’

reporter