ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

স্ত্রী ও ভাইসহ সাবেক ডিবি প্রধান হারুনের বিরুদ্ধে ৪১ কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা

reporter

প্রকাশিত: ০৭:০৬:৫৮অপরাহ্ন , ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০৭:০৬:৫৮অপরাহ্ন , ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

সাবেক গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, তার স্ত্রী শিরিন আক্তার এবং তার ভাই এ বি এম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি দুর্নীতির মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় ৪১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ অবৈধভাবে ১৭ কোটি ৫১ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী শিরিন আক্তারের বিরুদ্ধে ১০ কোটি ৭৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ এবং তার ভাই এ বি এম শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে ১২ কোটি ৯৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলাগুলোর আওতায় আসামিদের বিরুদ্ধে ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-এর ২৭(১) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের অবৈধ সম্পদের উৎস, সম্পদ অর্জনের প্রক্রিয়া এবং তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির সাথে অর্জিত সম্পদের অসামঞ্জস্য নিয়ে তদন্তের ভিত্তিতে মামলাগুলো করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে আসামিরা তাদের আর্থিক সচ্ছলতার বাইরে গিয়ে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং তা বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত হয়নি।

মামলাগুলোর বিষয়ে দুদক মহাপরিচালক বলেন, “অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এই মামলাগুলো তারই একটি উদাহরণ।”

এদিকে, আসামিদের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, মামলাগুলোর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে জানা গেছে। দুর্নীতির এই মামলাগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলাগুলোর ফলাফল দেশের দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

দুদক আরও জানায়, মামলার অংশ হিসেবে আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। একই সঙ্গে, তাদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার এবং অন্যান্য অপরাধেরও তদন্ত চলছে। দেশের আইনি কাঠামোর মধ্যে দুর্নীতির দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে দুদক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

reporter