ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

সীমান্ত হত্যা: বাংলাদেশিদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে বিএসএফের গুলি, নির্যাতন ও ধাওয়া

reporter

প্রকাশিত: ১১:৩৮:০৪পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১১:৩৮:০৪পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করে চলেছে। ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ ও ‘চোরাকারবারি’ এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর চালানো হচ্ছে নৃশংসতা। গুলি করে, পিটিয়ে এবং ধাওয়ার মাধ্যমে প্রাণ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে তাদের।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গত ১১ বছরে বিএসএফ গুলি করে মেরেছে ২৮৯ জন বাংলাদেশিকে। এছাড়াও, ২০১৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সাত বছরে বিএসএফ পিটিয়ে হত্যা করেছে ২৮ জনকে। এ ছাড়াও ধাওয়ার মধ্যে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৬ জন বাংলাদেশি। আসকের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের ধান কাটা, গরু চরানো, মাছ মারা এবং গৃহস্থালির কাজ করার মতো সাধারণ কাজ।

বিএসএফের হাতে সীমান্তের নাগরিকদের মৃত্যু যে কেবল হত্যাকাণ্ডে সীমাবদ্ধ নয়, তা উঠে এসেছে আরও এক ভয়ঙ্কর সত্যের মাধ্যমে। গত ১১ বছরে বিএসএফ সীমান্ত এলাকা থেকে ধরে নিয়ে গেছে ৩১৯ জন বাংলাদেশিকে। কিন্তু তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা এখনও অজানা রয়ে গেছে। আসকের সর্বশেষ চার বছরের (২০২১-২০২৪) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ধরে নিয়ে যাওয়া ১৭ জন বাংলাদেশির মধ্যে মাত্র সাতজন ফিরে এসেছেন। বাকি ১০ জনের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তার কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

সীমান্তের নিরাপত্তা এবং ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত রেখা থাকার কারণে বিএসএফ এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে মাঝে মাঝেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে বিএসএফের এমন আচরণ মানবাধিকার লঙ্ঘনের চূড়ান্ত উদাহরণ হিসেবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নজরে এসেছে।

reporter