ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪১ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম সংশোধনের শুনানি ১৬ জানুয়ারি

reporter

প্রকাশিত: ১২:১০:২৩অপরাহ্ন , ০৯ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১২:১০:২৩অপরাহ্ন , ০৯ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) সংশোধনের রিভিউ আবেদন দ্রুত শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৫ সদস্যের বেঞ্চে এই আবেদন করেন সংগঠনের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর।

ব্যারিস্টার নিহাদ কবীর শুনানির সময় আদালতকে বলেন, "এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং দ্রুত শুনানির প্রয়োজন। রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না, যা সংশোধন প্রয়োজন।"

তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জানান, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম সংশোধন সংক্রান্ত এই মামলার শুনানি ১৬ জানুয়ারি আইটেম ১০ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে।

২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগ রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নির্ধারণ করে একটি রায় দেন। এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। রায়ে উল্লেখ করা হয়, সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। সে অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে সাংবিধানিক পদাধিকারীদের তাদের গুরুত্ব অনুসারে শুরুতেই স্থান দিতে হবে।

রায়ে আরও বলা হয়, জেলা জজ এবং সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পদমর্যাদা ২৪ থেকে উন্নীত করে ১৬ নম্বরে সচিবদের সমান মর্যাদায় আনতে হবে। বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদটি জেলা জজের জন্য নির্ধারিত। অন্যদিকে, প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছেন সচিবরা।

অতিরিক্ত জেলা জজ এবং সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য পদমর্যাদা নির্ধারণ করা হয়েছে জেলা জজদের পরবর্তী ধাপ, অর্থাৎ ১৭ নম্বরে।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয় যে, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম কেবল রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে। তবে এটি কোনো নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে বা অন্য কার্যক্রমে ব্যবহার করা যাবে না।

জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, রায়ের এই ধারাগুলো যথাযথভাবে কার্যকর করতে রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে সংশোধন অত্যন্ত জরুরি। ১৬ জানুয়ারির শুনানিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

reporter