ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

প্রতারণার মাধ্যমে কোরবানির পশু বিক্রি করে ১২১ কোটি টাকা আয়!

reporter

প্রকাশিত: ১০:৫২:৩০অপরাহ্ন , ০৪ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ১০:৫২:৩০অপরাহ্ন , ০৪ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণার মাধ্যমে দেশি গরু-ছাগলকে বিদেশি ও বংশীয় পশু বলে চালিয়ে উচ্চমূল্যে কোরবানির হাটে বিক্রি করে ১২১ কোটি ৩২ লাখ ১৫ হাজার ১৪৪ টাকা আয়ের অভিযোগ উঠেছে সাদিক এগ্রোর মালিক মো. ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) মালিবাগের সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) একরামুল হাবীব।

এর আগে সোমবার (৩ মার্চ) রাজধানীর মালিবাগ থেকে ১৩৩ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলার প্রধান আসামি ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ডিআইজি একরামুল হাবীব জানান, ইমরান ও তার সহযোগী তৌহিদুল আলম জেনিথ এবং তাদের প্রতিষ্ঠান সাদিক এগ্রো লিমিটেড সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মাধ্যমে চোরাচালান, প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অবৈধভাবে টাকা পাচার করেছেন।

ব্রাহমা জাতের গরু আমদানির ক্ষেত্রেও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে ইমরানের বিরুদ্ধে। ডিআইজি জানান, কাস্টমস হাউসে আটক এবং সাভারের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে হেফাজতে থাকা ১৫টি ব্রাহমা জাতের গরু জবাই না করেই কাগজে-কলমে জবাই দেখানো হয়েছে। এভাবে গরুগুলো হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে।

এছাড়া ইমরান হোসেন ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসায়িক কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৩৩ কোটি ৫৫ লাখ ৬ হাজার ৩৪৪ টাকা আয় করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১১ কোটি ৩৬ লাখ ৯১ হাজার ২০০ টাকা জালালাবাদ মেটাল লিমিটেডের নামে এফডিআর হিসাবে জমা রাখা হয়। এছাড়া মোহাম্মদপুর থানার রামচন্দ্রপুর সরকারি খাল ভরাট ও জবর দখল করে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আরও জানান, ইমরান ও তার চক্র কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত দিয়ে থাইল্যান্ড ও মায়ানমার থেকে গরু ও মহিষ চোরাচালান করে বাংলাদেশে বিক্রি করতেন। এছাড়া ভুটান ও নেপাল থেকে ছোট আকৃতির ভুট্টি গরু চোরাচালান করে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি একরামুল হাবীব জানান, ইমরানের সহযোগী তৌহিদুল আলম জেনিথ এখনো গ্রেপ্তার হননি। তার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।


reporter