ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

অনলাইন ব্যবসায় প্রতারণা রোধে হাইকোর্টের ৯ নির্দেশনা

reporter

প্রকাশিত: ০৪:০১:০৪অপরাহ্ন , ১০ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ০৪:০১:০৪অপরাহ্ন , ১০ মার্চ ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ব্যবসায় প্রতারণা বন্ধ ও গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধিতে হাইকোর্ট ৯টি নির্দেশনা জারি করেছেন। আদালতের এই নির্দেশনা এখন থেকে সব অনলাইন ব্যবসায়ীকে মেনে চলতে হবে।

সোমবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত নারী উদ্যোক্তা রোবাইয়াত ফাতেমা তনির মালিকানাধীন শোরুম ‘সানভিস বাই তনি’র ব্যবসা পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতি মাসে অন্তত একবার তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ে অনলাইন ব্যবসা সংশ্লিষ্ট ৯টি নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো:

১. বাংলাদেশের প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে এবং অনলাইন ব্যবসায়ী ও গ্রাহকের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
২. অনলাইন ব্যবসায় আইন লঙ্ঘন হলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আইনের সমান সুরক্ষা পাবে।
৩. প্রতিটি নাগরিকের বৈধ ব্যবসা পরিচালনার অধিকার থাকবে এবং আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যবসা বন্ধ করা যাবে না।
৪. ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের উচিত সব অনলাইন ব্যবসায়ীকে নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং তাদের অনুমোদন দেওয়া।
৫. অননুমোদিত অনলাইন ব্যবসা বা নকল পণ্য বিক্রি রোধ করতে হবে।
৬. অনলাইন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসক, মালিক ও গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করতে হবে।
৭. বিটিআরসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনলাইন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা করতে হবে।
৮. গ্রাহকদের সচেতন করতে হবে যেন তারা অননুমোদিত অনলাইন দোকান থেকে পণ্য ক্রয় না করে।
৯. ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের উচিত প্রতারক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।

এই নির্দেশনা অনলাইন ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে 

reporter