ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

মেগা প্রকল্পে আয় কম, ভর্তুকি দিয়ে ঋণ শোধের চাপ

reporter

প্রকাশিত: ০৮:৪০:১৪পূর্বাহ্ন, ১১ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০৮:৪০:১৪পূর্বাহ্ন, ১১ নভেম্বর ২০২৪

সংগৃহীত ছবি

ছবি: সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের রেলপথ থেকে পদ্মা রেল সংযোগ: আয়ের ঘাটতিতে বিপাকে যোগাযোগ অবকাঠামো খাত

দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে একের পর এক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও, আয়ের ঘাটতি এবং ঋণ শোধে বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে সরকার। কক্সবাজার রেলপথ, উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল এবং পদ্মা সেতু সংযোগ রেলপথ প্রকল্পের নির্মাণে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়া হলেও, চালুর পর থেকে প্রকল্পগুলোর আয় দিয়ে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ঠিকমতো মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সরকারকে প্রতি বছর ভর্তুকি দিয়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে।

২০২২ সালে চালু হওয়া দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ শোধ করতে প্রতিবছর গড়ে ৪৫৫ কোটি টাকা প্রয়োজন হলেও, প্রকল্পটি এখনো লাভজনক অবস্থানে পৌঁছায়নি। এদিকে মেট্রোরেল প্রকল্পের আয় দিয়েও এখনো ঋণ শোধ সম্ভব নয়, যা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্প এবং পদ্মা রেল সংযোগ রুটেও একই রকম চ্যালেঞ্জ দেখা যাচ্ছে। টানেলটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১৩৬ কোটি টাকা হলেও, এক বছরে আয় হয়েছে মাত্র ৩৭ কোটি টাকা। পদ্মা রেল সংযোগ রুটে আয় অপ্রতুল হওয়ায় ভর্তুকির প্রয়োজন হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব প্রকল্প দেশের অর্থনীতির জন্য ক্রমশ বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সামছুল হকের মতে, এসব প্রকল্পের জন্য নেওয়া উচ্চাভিলাষী ঋণ দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে।

reporter