ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

লিখিত অঙ্গীকারে টানা ৩৫ ঘণ্টার অনশন প্রত্যাহার করলেন জবি শিক্ষার্থীরা

reporter

প্রকাশিত: ১০:২৫:০২অপরাহ্ন , ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১০:২৫:০২অপরাহ্ন , ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

লিখিত অঙ্গীকার পাওয়ার পর টানা ৩৫ ঘণ্টার অনশন প্রত্যাহার করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী একেএম রাকিব।

বিকাল ৪টায় সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করে শিক্ষার্থীরা। বিকেল পৌনে ৫টায় সচিবালয়ের সামনে এসে পৌঁছে তারা। এ সময় অনশনরত অসুস্থ শিক্ষার্থীরা স্যালাইনের স্ট্যান্ড নিয়ে রিকশায় যোগ দেন। পদযাত্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে একেএম রাকিব জানান, মন্ত্রণালয় থেকে লিখিত অঙ্গীকার পাওয়া গেছে যে বুধবার অনুষ্ঠিতব্য সভায় সেনাবাহিনীর কাছে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ হস্তান্তর চুক্তি স্বাক্ষর হবে। পাশাপাশি পুরান ঢাকার বাণী ভবন ও ডা. হাবিবুর রহমান হলে অস্থায়ী স্টিল বেজড ভবন নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন ভাতা সম্পর্কে যাচাই-বাছাই ও আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিশ্রুতি মেলায় অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, বুধবারের সভার আগ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শাটডাউন থাকবে। এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ ও দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ থাকে, কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।

রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা অনশন শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো ছিল দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা, পুরান ঢাকার দুটি ভবনের কাজ শুরু এবং ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ভাতা নিশ্চিত করা।

শিক্ষার্থীদের পদক্ষেপ সম্পর্কে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, শিক্ষার্থীদের এই ত্যাগ এবং আন্দোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম জানান, শিক্ষার্থীদের দৃঢ় আন্দোলনের ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আরও গতিশীল হয়েছে। বুধবারের সভায় প্রকল্পের বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অনশন চলাকালে প্রায় ১৪ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। উপাচার্যের অনুরোধেও অনশন ভাঙতে রাজি হননি তারা। তবে লিখিত প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা তাদের অনশন শেষ করেন।

reporter