ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

কুইক রেন্টালে দায়মুক্তি দেয়া অবৈধ: হাইকোর্টের রায়

reporter

প্রকাশিত: ০১:০০:৫০অপরাহ্ন , ১৪ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০১:০০:৫০অপরাহ্ন , ১৪ নভেম্বর ২০২৪

হাইকোর্ট

ছবি: হাইকোর্ট

হাইকোর্ট রায়ে জানিয়েছে, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য দায়মুক্তি দেয়া অবৈধ ছিল। এ সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০-এর ৯ নম্বর ধারার বিধানটি বাতিল ঘোষণা করেছে আদালত। আদালত বলেন, এ ধরনের দায়মুক্তি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত জানান, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর ব্যাপক খরচ এবং অনিয়মের ফলেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, অথচ আইন করে এসব অনিয়মকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব অনিয়মের বিচার চাওয়া যাবে না—এটা জনস্বার্থবিরোধী এবং সংবিধানের লঙ্ঘন।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ড. শাহদীন মালিক, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সিনথিয়া ফরিদ। আইনটির ৬ (২) ও ৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দাখিল করা হয়। প্রাথমিক শুনানির পর গত ৭ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং ১৪ নভেম্বর চূড়ান্ত রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়।

রিটে উল্লেখ করা হয়, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল প্রকল্পে অস্বাভাবিক খরচ ও অনিয়মের কারণে বারবার বিদ্যুতের মূল্য বাড়ছে। সরকার আইন করে এসব অনিয়মের বৈধতা দিয়েছে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী। এই আইন অনুসারে, কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানির সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি করতে মন্ত্রীকে একক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।

ড. শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের বলেন, "২০১০ সালের এই আইনটির ৬(২) ও ৯ নম্বর ধারায় মন্ত্রীকে একক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয়ের পথ সুগম করেছে।"

reporter