ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

কুইক রেন্টালে দায়মুক্তি দেয়া অবৈধ: হাইকোর্টের রায়

reporter

প্রকাশিত: ০১:০০:৫০অপরাহ্ন , ১৪ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০১:০০:৫০অপরাহ্ন , ১৪ নভেম্বর ২০২৪

হাইকোর্ট

ছবি: হাইকোর্ট

হাইকোর্ট রায়ে জানিয়েছে, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য দায়মুক্তি দেয়া অবৈধ ছিল। এ সংক্রান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০-এর ৯ নম্বর ধারার বিধানটি বাতিল ঘোষণা করেছে আদালত। আদালত বলেন, এ ধরনের দায়মুক্তি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালত জানান, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর ব্যাপক খরচ এবং অনিয়মের ফলেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, অথচ আইন করে এসব অনিয়মকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব অনিয়মের বিচার চাওয়া যাবে না—এটা জনস্বার্থবিরোধী এবং সংবিধানের লঙ্ঘন।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ড. শাহদীন মালিক, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সিনথিয়া ফরিদ। আইনটির ৬ (২) ও ৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দাখিল করা হয়। প্রাথমিক শুনানির পর গত ৭ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং ১৪ নভেম্বর চূড়ান্ত রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়।

রিটে উল্লেখ করা হয়, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল প্রকল্পে অস্বাভাবিক খরচ ও অনিয়মের কারণে বারবার বিদ্যুতের মূল্য বাড়ছে। সরকার আইন করে এসব অনিয়মের বৈধতা দিয়েছে, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী। এই আইন অনুসারে, কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানির সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি করতে মন্ত্রীকে একক ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, যা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।

ড. শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের বলেন, "২০১০ সালের এই আইনটির ৬(২) ও ৯ নম্বর ধারায় মন্ত্রীকে একক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয়ের পথ সুগম করেছে।"

reporter