ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

হাইকোর্টের রুল: সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী কেন সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না

reporter

প্রকাশিত: ০৯:৫৭:৩৭অপরাহ্ন , ১৯ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০৯:৫৭:৩৭অপরাহ্ন , ১৯ নভেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

হাইকোর্ট সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আইন কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব এবং জাতীয় সংসদের সচিবকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী আনা হয়, যার মাধ্যমে সংসদীয় শাসনপদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসনপদ্ধতি চালু করা হয় এবং একদলীয় রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে চতুর্থ সংশোধনী আইন পাস হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও শাসন কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর প্রতি বিরূপ প্রভাব ফেলেছিল। এই সংশোধনী আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন। রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ চতুর্থ সংশোধনী আইনকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করার বিষয়ে রুল জারি করেছে।

এ সময় আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবির, এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শামীমা সুলতানা। আদালত এখন আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় সংসদের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলেছে।

১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী বাংলাদেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসনব্যবস্থার সূচনা করেছিল, যা গণতন্ত্রের মূলনীতি এবং দেশের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ রয়েছে। রিটে এসব বিষয় উল্লেখ করে চতুর্থ সংশোধনী আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এখন আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই আইনের বৈধতা নিয়ে তাদের মতামত জানতে চেয়েছে।

এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন, কারণ এটি দেশের গণতন্ত্র এবং সংবিধান অনুযায়ী শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কিত মৌলিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

reporter