ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

ডিজাইন শ্যারেটে চ্যাম্পিয়ন আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

reporter

প্রকাশিত: ০৯:৪০:৫৮অপরাহ্ন , ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৯:৪০:৫৮অপরাহ্ন , ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

আহ্ছানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা ডিজাইন শ্যারেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের মনোনীত পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল এই শ্যারেটে বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন ফারহান মুহিবুর রহমান, ফারহান ইশরাক নিবিড়, আরিফুল ইসলাম খাঁ, আলিফ ইসলাম তুষান এবং সাহাফ কবির। চার দিনব্যাপী এই ডিজাইন শ্যারেটটি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়, যেখানে দেশের ২৩টি দল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আশরাফুল হক স্থাপত্য বিভাগের এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এই অর্জন আমাদের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা এবং প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও এমন প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।

ডিজাইন শ্যারেট মূলত একটি ধারণাগত প্রতিযোগিতা, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু প্রকাশের পর তাৎক্ষণিকভাবে সৃজনশীল সমাধান বের করার চেষ্টা করেন। এবারের প্রতিযোগিতায় ‘দ্য লিসনিং স্পেস’ প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, যেখানে প্রতিযোগীদের এমন একটি কমিউনিটি স্পেস ডিজাইন করতে বলা হয় যা ঢাকার ব্যস্ত নগর জীবনে মানুষের প্রশান্তির স্থান হিসেবে কাজ করবে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের উদ্ভাবনী ধারণা তুলে ধরে এবং বিচারকরা তাদের মূল্যায়ন করেন। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন স্থপতি সায়েদুল হাসান রানা, স্থপতি মাহমুদুল ইসলাম ফরহাদ এবং স্থপতি রবিউল ইসলাম। প্রতিযোগিতার ফলাফল ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয় এবং পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে চার দিনব্যাপী এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ স্থাপত্য ইন্সটিটিউট-এর প্রেসিডেন্ট স্থপতি ড. আবু সাঈদ মোস্তাক আহমেদ।

বিচারকদের মতে, বিজয়ী দল তাদের সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে শহরের প্লটগুলোর সেটব্যাক বা পেছনের অব্যবহৃত জায়গাগুলোকে একটি কার্যকর ও উপভোগ্য কমিউনিটি স্পেসে রূপান্তর করেছে, যা নগর পরিকল্পনার জন্য একটি অনুকরণীয় ধারণা।

reporter