ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৪ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন অনুমোদন

reporter

প্রকাশিত: ০৮:২৭:৫৭অপরাহ্ন , ১০ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৮:২৭:৫৭অপরাহ্ন , ১০ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ অপেক্ষার পর কক্সবাজারবাসীর জন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাল এক্সপ্রেস ও সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি চালানোর অনুমোদন দিয়েছে। এই নতুন ট্রেনগুলো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে যাত্রী পরিবহন শুরু করবে।

এই ট্রেনগুলো বিশেষ করে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের মধ্যে যাত্রী চলাচল সহজ করবে, কারণ বর্তমানে এই রুটে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাতায়াতের কোনো স্থায়ী ট্রেন ছিল না। একমাত্র বিশেষ ট্রেন, যা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চালু করা হয়েছিল, তা স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এখনও চলাচল করছে। তবে এখন থেকে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালানোর মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূর্ণ হলো।

নতুন ট্রেনগুলোর সময়সূচি অনুযায়ী, ৮২১ নং ট্রেনটি ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে কক্সবাজার পৌঁছাবে। ৮২২ নং ট্রেনটি সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছাবে। অপরদিকে, ৮২৩ নং ট্রেনটি দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে, এবং ৮২৪ নং ট্রেনটি সন্ধ্যা ৮টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে জানানো হয় যে, নতুন ট্রেন চালানোর জন্য রেলওয়ের বিদ্যমান জনবল ব্যবহার করা হবে এবং এই রুটে ক্যাটারিং সেবা প্রদান করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত নেয়া হবে।

রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. শহিদুল ইসলাম জানান, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণের পর টিকিটের চাহিদা বেড়েছে। তবে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি ট্রেন চালু না থাকায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি ছিল একটি বড় সমস্যা। তিনি জানান, ভবিষ্যতে যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি পেলে ট্রেনের কোচ সংখ্যা ও সেবাও বাড়ানো হবে।

নতুন ট্রেন দুটির নাম যথাক্রমে সৈকত এক্সপ্রেস (৮২১ ও ৮২৪) এবং প্রবাল এক্সপ্রেস (৮২২ ও ৮২৩)। প্রতিটি ট্রেনের আসন সংখ্যা ৭৪৩টি এবং ট্রেনের মোট লোড সংখ্যা হবে ১৬/৩২। রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, সারাদেশের মধ্যে কক্সবাজারগামী ট্রেনেই সবচেয়ে বেশি টিকিটের চাহিদা থাকে। এখন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ থাকায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাত্রীরা চট্টগ্রাম এসে কক্সবাজারের জন্য ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন।

এছাড়া, ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর ঢাকা-কক্সবাজার রুটে একটি বিরতিহীন ট্রেন চালু করার পর টিকিটের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। সেই কারণে, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আরেকটি বিরতিহীন ট্রেন চালু করা হয়েছে। তবে, কক্সবাজার যাওয়ার জন্য চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কোনো ট্রেন ছিল না, যা এখন এই নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু হওয়ার মাধ্যমে পূর্ণ হলো।

রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, চাঁদপুর, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রেলরুট সংলগ্ন জেলার যাত্রীরা এখন চট্টগ্রামে এসে কক্সবাজার যেতে পারবেন। নতুন এই ট্রেন সার্ভিস কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

reporter