ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

চীনের বাজারে বাংলাদেশি ইলিশ: ১ হাজার টন আমদানির আগ্রহ প্রকাশ

reporter

প্রকাশিত: ০৮:৩৭:৫১অপরাহ্ন , ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৮:৩৭:৫১অপরাহ্ন , ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা, বৃহস্পতিবার: বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের প্রতি চীনের গভীর আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চীনের পক্ষ থেকে ১ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আমদানির আগ্রহের কথা জানান। উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। বাণিজ্য ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে চীনের বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কৃষি, পরিবহন, কৃষি-যন্ত্রপাতি এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, দুই দেশের মধ্যে রপ্তানি ও আমদানির ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এ প্রসঙ্গে তিনি চীনকে আহ্বান জানান, তারা যেন বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য আমদানি করে এবং আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক কমায়। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়নে চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ট্রাক উৎপাদন কারখানা স্থাপন এবং কৃষির উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে চীনের বিনিয়োগ উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

জবাবে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনে বাংলাদেশি ইলিশ মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এটি রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি জানান, বর্তমানে ৩০টি চীনা কোম্পানি চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই বিনিয়োগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তিনি আরও বলেন, ইলিশ মাছ ছাড়াও চীন বাংলাদেশ থেকে আম, কাঁঠাল ও পেয়ারা আমদানি করতে চায়। পাশাপাশি, কৃষিপণ্য উৎপাদন এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়েও চীন আগ্রহী। এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের কৃষকরা আরও বেশি উপকৃত হবেন এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আব্দুর রহিম খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

reporter