ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

ব্যাংকে কোটি টাকার অ্যাকাউন্ট কমেছে

reporter

প্রকাশিত: ১১:৩৬:০০অপরাহ্ন , ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

আপডেট: ১১:৩৬:০০অপরাহ্ন , ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

File photo

ছবি: File photo

রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে ব্যাংক খাতে কোটি টাকার বেশি ডিপোজিট থাকা অ্যাকাউন্টের সংখ্যা এবং আমানতের পরিমাণ কমে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কোটি টাকার বেশি ডিপোজিট থাকা অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কমেছে এক হাজার ৬৫৭টি, এবং এ সময় এসব অ্যাকাউন্টে মোট ডিপোজিট কমেছে ২৬ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জুন প্রান্তিকে যেখানে কোটি টাকার বেশি ডিপোজিট ছিল এক লাখ ১৯ হাজার অ্যাকাউন্টে, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তা কমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৭ হাজারে। জুন প্রান্তিক শেষে এসব অ্যাকাউন্টে মোট আমানত ছিল সাত লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বর শেষে কমে হয়েছে সাত লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহমুদুর রহমান বলেন, আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর অনেক ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহক তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। ব্যাংকিং খাত নিয়ে আস্থাহীনতা, ইনফ্লেশনের চাপ, পারিবারিক এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বৃদ্ধি—এগুলোই অ্যাকাউন্ট এবং ডিপোজিট কমার মূল কারণ।

ব্যাংকাররা মনে করছেন, সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে ভালো রিটার্ন পাওয়ার কারণে অনেক বড় আমানতকারী এখন সেদিকে ঝুঁকছেন। এর ফলে ব্যাংক খাতের ওপর চাপ বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, একক ব্যক্তিদের পাশাপাশি কর্পোরেট অ্যাকাউন্টেও কোটি টাকার ডিপোজিট কমেছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে একক ব্যক্তি কোটিপতিদের অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ৬২০টি কমেছে। একই সময়ে এসব অ্যাকাউন্টে ডিপোজিটের পরিমাণ কমেছে আট হাজার ৯২৩ কোটি টাকা।

সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে একক ব্যক্তিদের কোটিপতির অ্যাকাউন্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৮৬১টিতে। জুন প্রান্তিকে এ সংখ্যা ছিল ৩৪ হাজার ৪৮১টি। একক ব্যক্তিদের এই অ্যাকাউন্টে ডিপোজিটের পরিমাণ ৮৩ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, যা জুন প্রান্তিকে ছিল ৯২ হাজার ৩০৮ কোটি টাকা।

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গুজবের ফলে বিশেষত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সরকার পতনের পর ব্যাংক বন্ধ হওয়ার গুজবে অনেক গ্রাহক তাদের আমানত তুলে নেন। প্রভাবশালী কিছু ব্যবসায়ীর ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নেওয়াও এই সংকটকে ত্বরান্বিত করেছে।

ব্যাংকারদের মতে, ব্যাংকিং খাতে এই সংকট সামাল দিতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য নীতি-সংস্কার এবং আর্থিক প্রণোদনা প্রয়োজন।

reporter