ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নাম পরিবর্তন করে `যমুনা রেল সেতু’

reporter

প্রকাশিত: ০৫:৫০:০৯অপরাহ্ন , ২২ ডিসেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০৫:৫০:০৯অপরাহ্ন , ২২ ডিসেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম পরিবর্তন করে যমুনা রেল সেতু’ রাখা হয়েছে। নতুন নামকরণের পাশাপাশি সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের রেল স্টেশনগুলোর নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্ব প্রান্তের স্টেশনটির নাম ইব্রাহীমাবাদ’ এবং পশ্চিম প্রান্তের স্টেশনটির নাম `সয়দাবাদ’ রাখা হয়েছে।

রেল সেতুর প্রধান প্রকৌশলী তানভীরুল ইসলাম আজ (২২ ডিসেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এই নাম পরিবর্তন করেছে এবং নতুন নামকরণ কার্যকর করা হয়েছে।

এর আগে ২০ ডিসেম্বর রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম নবনির্মিত ইব্রাহীমাবাদ সেতু এবং সয়দাবাদ রেল স্টেশন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, যমুনা রেল সেতু আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধন করা হবে।

১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দিলে ট্রেনের গতিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয় এবং বর্তমানে প্রায় ৩৮টি ট্রেন ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে সেতু পারাপার হচ্ছে।

এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে বিগত সরকার যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে একটি নতুন রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সেতুর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। এরপর ২০২১ সালের মার্চে রেল সেতুর পিলার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত ছিল, কিন্তু পরে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। এর মধ্যে ২৭.৬০ শতাংশ অর্থায়ন হয়েছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২.৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

reporter