ঢাকা,  শনিবার
২১ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩৫ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী * প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী * উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে * সংসদ অধিবেশন শুরু বেলা ১১টায় * ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার * যুক্তরাষ্ট্রকে চমকে দিচ্ছে ইরানের পাল্টা আঘাত, বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের হিসাব * মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন * ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পাকিস্তানকে হেসেখেলে হারাল বাংলাদেশ * অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪: ৪০তম ধাপে ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা

বেতন না পাওয়া ও দুর্ব্যবহারের ক্ষোভে ইরফানের হাতে সাতজন নিহত

reporter

প্রকাশিত: ০১:২৪:৩৫অপরাহ্ন , ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০১:২৪:৩৫অপরাহ্ন , ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ৮ মাস ধরে বেতন না পাওয়া এবং মাস্টারের দুর্ব্যবহারের কারণে নিজের ক্ষোভে জাহাজের মাস্টারসহ সাতজনকে হত্যা করেছেন আকাশ মন্ডল ইরফান। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইরফান এ হত্যাকাণ্ড ঘটানোর কথা স্বীকার করেছেন। গতকাল তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।

র‍্যাবের দেওয়া তথ্য মতে, জাহাজের মাস্টার গোলাম কিবরিয়া ইরফানসহ অন্য কর্মীদের ৮ মাস ধরে কোনো বেতন ভাতা দিচ্ছিলেন না এবং প্রায়ই দুর্ব্যবহার করতেন। মাস্টারের এই দুর্ব্যবহার এবং অর্থ না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে ইরফান তার সহকর্মীদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার দিন ইরফান জাহাজ থেকে বাজার করার জন্য পাবনার একটি বাজারে যান। সেখান থেকে তিনি তিন পাতা ঘুমের ওষুধ সংগ্রহ করেন। এ সময় জাহাজে থাকা চাইনিজ কুড়াল, যা মূলত জাহাজের নিরাপত্তার জন্য রাখা ছিল, সেটিও ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেন।

র‍্যাব জানায়, ইরফান প্রথমে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাবার তৈরি করেন। সেই খাবার খাওয়ার পর জাহাজের অন্যান্য কর্মীরা অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর ইরফান হাতে গ্লাভস পরে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে সবাইকে একে একে কুপিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর ইরফান নিশ্চিত হন যে সবাই মারা গেছে। এরপর তিনি নিজেই জাহাজ চালিয়ে হাইমচর এলাকায় চলে যান এবং সেখান থেকে অন্য একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যান।

র‍্যাব আরও জানায়, প্রথমে ইরফান শুধু মাস্টার গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের সময় অন্য কর্মীরা তা দেখে ফেলায় তাদেরও হত্যা করেন। নিহতদের মধ্যে মাস্টার গোলাম কিবরিয়া ছাড়াও গ্রিজার সজিবুল ইসলাম, লস্কর মাজেদুল ইসলাম, শেখ সবুজ, আমিনুর মুন্সী, ইঞ্জিন চালক সালাউদ্দিন ও বাবুর্চি রানা কাজী রয়েছেন। এছাড়া ঘটনায় আহত হয়েছেন সুকানি জুয়েল।

এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পর ইরফান পালানোর চেষ্টা করলেও র‍্যাবের তৎপরতায় তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়।

reporter