ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

বেনজীর আহমেদের রিসোর্টে এনবিআরের অভিযান

reporter

প্রকাশিত: ০৭:৩২:২৩অপরাহ্ন , ২১ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ০৭:৩২:২৩অপরাহ্ন , ২১ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) গোয়েন্দা ও তদন্তকারী ইউনিট। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগীটোল গ্রামে ৬২১ বিঘা জমির ওপর নির্মিত এই রিসোর্টে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) এ অভিযান পরিচালিত হয়। এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের উপপরিচালক শাহ মোহাম্মদ ফজলে এলাহীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি দল এ অভিযানে অংশ নেয়।

অভিযানের সময় বিনিয়োগের নথি, আয়-ব্যয়ের যাবতীয় হিসাবপত্র, কম্পিউটারের হার্ডডিস্কসহ নানা তথ্য-উপাত্ত যাচাই করেন এনবিআরের তদন্তকারীরা। অভিযানের পর উপপরিচালক শাহ মো. ফজলে এলাহী জানান, তারা বিপুল পরিমাণ কর ফাঁকির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন। তবে সঠিক অঙ্ক নির্ধারণ করতে আরও কিছু দপ্তর থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সব নথি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন কর অফিসে জমা দেওয়া হবে, এবং পরবর্তীতে কর অফিস আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

জানা গেছে, এর আগে ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী বেনজীর আহমেদের ৮৩টি দলিলের সম্পত্তি, গুলশানে অবস্থিত ৪টি ফ্ল্যাট, ২৩টি কোম্পানির শেয়ার এবং ৩৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বেনজীর ও তার পরিবারের নামে থাকা ১১৯টি জমির দলিল ও ৩৪৫ বিঘা জমিও জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই অভিযানের মধ্য দিয়ে বেনজীর আহমেদের সম্পদের বৈধতা নিয়ে চলমান তদন্ত আরও গভীরতর হয়েছে। এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর ফাঁকি এবং অন্যান্য আইনি লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রমাণ সংগ্রহে তাদের কাজ অব্যাহত থাকবে।

reporter