ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪৭ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

‘আমি ছাত্রদের পক্ষে ছিলাম, আমাকে বাঁচান’—আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ওসি মাজহার

reporter

প্রকাশিত: ০৩:৪০:৩৭অপরাহ্ন , ২০ নভেম্বর ২০২৪

আপডেট: ০৩:৪০:৩৭অপরাহ্ন , ২০ নভেম্বর ২০২৪

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ শুনানির সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন গুলশান থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “আজ এখানে থাকার কথা ছিল না। আমি নির্দোষ। ছাত্রদের পক্ষে ছিলাম। আমাকে বাঁচান।”

বুধবার (২০ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনালে শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম সাভারের গণহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় দায়ীদের তালিকা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল কাফি, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহিদুর ইসলাম এবং গুলশানের সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামের নাম উল্লেখ করেন।

তাজুল ইসলাম সাভারের গণহত্যা ও আশুলিয়া থানায় লাশ পোড়ানোর ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে ধরেন। তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে ওসি মাজহারুল ইসলাম কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে চিৎকার দিয়ে বলেন, “আমি সাভারে কোনো দায়িত্ব পালন করিনি।” তখন ট্রাইব্যুনাল তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনার সম্পৃক্ততা না থাকলে আপনি ন্যায়বিচার পাবেন।”

এরপর চিফ প্রসিকিউটর তার বক্তব্য সংশোধন করে বলেন, “আমার ভুল হয়েছে। মাজহারুল ইসলাম সাভারে ছিলেন না, তিনি গুলশান থানার ওসি ছিলেন।” পরে তিনি গুলশানের ঘটনাবলী উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, মাজহারুল ইসলাম আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে এসব অভিযোগের সময় ওসি মাজহার ছিলেন নিশ্চুপ।

শুনানিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক পুলিশ প্রধান এবং ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক।

এই আট কর্মকর্তাকে প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাদের কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ১৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

reporter