ঢাকা,  মঙ্গলবার
৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ০৮:৪২ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবেনা: মামুনুল হক * প্রার্থীদের তথ্য গোপনের কারণে বিএনপি বিপর্যস্ত * আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচন করতে কোনো বাধা নেই * যৌন অপরাধী এপস্টেইনের নথি প্রকাশে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় * ভালোবাসায় সিক্ত আমিনুল হক, দ্বাদশ দিনে জনস্রোতে ধানের শীষের প্রচারণা * বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব হবে দেশ পুনর্গঠন * ২২ বছর পর খুলনা সফর, যাবেন যশোরও * ধানের শীষের সমর্থনে ঢাকা–১৬ আসনে ছাত্রদলের মাঠপর্যায়ের গণসংযোগ * ধানের শীষের পক্ষে পাবনা–৩ আসনে গণসংযোগে ছাত্রদল পশ্চিমের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান (বাপ্পি) * মিরপুর–পল্লবীতে গ্যাস সিন্ডিকেট ভেঙে ঘরে ঘরে সংযোগ নিশ্চিতের অঙ্গীকার আমিনুল হকের।

১৫ পুলিশ হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস কারাগারে

reporter

প্রকাশিত: ১০:৩৫:০৯অপরাহ্ন , ০৫ জানুয়ারী ২০২৫

আপডেট: ১০:৩৫:০৯অপরাহ্ন , ০৫ জানুয়ারী ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৫ পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা, অগ্নিসংযোগ এবং আগ্নেয়াস্ত্র লুণ্ঠনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। রবিবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার কামারপাড়া মহল্লার নিজ বাড়ি থেকে সেনা নিয়ন্ত্রিত যৌথবাহিনীর একটি দল তাকে আটক করে।

জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্ট সরকার পতনের আগের দিন এনায়েতপুর থানায় এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর সাবেক মন্ত্রীকে এ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাটিতে এনায়েতপুর থানার চারজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আরও প্রায় সাড়ে ছয় হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে, এ মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে এনায়েতপুর থানার আজুগরা গ্রামের বদিউজ্জামান ফকির এবং তার ভাই মান্নান ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন জানান, সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তারের পর সেনাক্যাম্পে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আদালতে তাকে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক মন্ত্রী-এমপি ও নেতাকর্মীরা এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেলেও প্রবীণ নেতা লতিফ বিশ্বাস নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হলেন বলে মনে করছেন অনেকে।

লতিফ বিশ্বাস সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি। এরপরও তিনি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

তার স্ত্রী বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশানুর বিশ্বাস বলেন, তার স্বামী একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তার নামে উল্লেখযোগ্য কোনো মামলা নেই। সরকারের ঘোষিত সময়ের মধ্যেই তার লাইসেন্সকৃত দুইটি অস্ত্র এবং গোলাবারুদ থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া হোসেন জানান, গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় এনায়েতপুর থানায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ হত্যা ঘটে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাসকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

reporter