ঢাকা,  বৃহস্পতিবার
১৫ জানুয়ারী ২০২৬ , ১১:২৯ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* ব্যবসার পরিবেশ গণতান্ত্রিক করতে আমলাতন্ত্র কমানোর প্রতিশ্রুতি দিল বিএনপি নেতৃত্ব * ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খানের বক্তব্যে ঐক্যের আহ্বান * নির্বাচনে মাত্র ৪ শতাংশ নারী প্রার্থী নিয়ে দলগুলোর জবাবদিহি দাবি নারী অধিকারকর্মীদের * নির্বাচনে কারসাজির চেষ্টা হলে পালাতে হবে, সতর্ক করলেন জামায়াত আমির * কারওয়ান বাজার নিয়ন্ত্রণের বিরোধে কনট্রাক্ট কিলিং, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ চারজন গ্রেপ্তার * চট্টগ্রাম-৯ আসনে আপিলে প্রার্থিতা না-ফেরা ফজলুল হকের অভিযোগ, দ্বৈত নাগরিকত্বে কমিশনের কঠোরতা প্রশ্নে আলোচনা * ইরানে রাতভর সংঘর্ষে নিহতের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, তথ্য যাচাইয়ে জটিলতা * মুস্তাফিজ ইস্যুকে জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে তুললেন বিএনপি মহাসচিব, আইনশৃঙ্খলা ও নদী–কূটনীতি ইস্যুতেও সরকারের সমালোচনা * বিএনপির গণভোট–কেন্দ্রিক পরিকল্পনায় নতুন গতি, বিদেশি যোগাযোগে সক্রিয় কূটনীতি ও মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার * হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ

নির্বাচনে কারসাজির চেষ্টা হলে পালাতে হবে, সতর্ক করলেন জামায়াত আমির

repoter

প্রকাশিত: ১১:৫১:৩৩পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১১:৫১:৩৩পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে

ছবি: বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রত্যাশা বাড়তে থাকার মধ্যে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ভোটে কোনো ধরনের কারসাজি, ব্যবস্থাপনা বা ‘মেকানিজম’ করার অগ্রিম চিন্তাও করলে তা জনগণের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার মুখে ভেস্তে যাবে এবং সংশ্লিষ্টরা পালাতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, অতীতের ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মতো সীমিত অংশগ্রহণমূলক বা বিতর্কিত নির্বাচন আর হতে দেওয়া হবে না; বরং এমন নির্বাচন চাই যেখানে ভোটার নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ অনুভব করবে। বহু তরুণ ভোটারের বয়স এখন ৩৫ অথবা তার বেশি হলেও জীবনে একবারও ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি দাবি করে তিনি বলেন, এ প্রজন্মের জন্য ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে একটি স্বস্তিদায়ক নির্বাচন অপরিহার্য। শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন যাতে কারও সঙ্গে সমঝোতা বা পরোক্ষ ক্ষমতা–সমীকরণে পরিচালিত না হয় বরং সরাসরি ভোটারের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হয়, সে জন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ও বুথকে সুরক্ষিত করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে প্রত্যেক বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। তাঁর মতে, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জনবল পর্যাপ্ত না হলেও প্রযুক্তি–ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ব্যবধান পূরণ করতে সক্ষম হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে, তাই নির্বাচন সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ে সংশয় করার সুযোগ নেই; কারণ সুষ্ঠু নির্বাচন সুশাসনের প্রথম শর্ত। অনুষ্ঠানে যুদ্ধকালীন অবদানের স্বীকৃতি, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বের ইতিহাস এবং সামরিক বাহিনীর অবদান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যে জাতি নিজেদের ইতিহাসে অবদানের ধারাবাহিকতা ও স্বীকৃতি ধরে রাখতে পারে না, সে জাতির রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভবিষ্যতেও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তিনি দাবি করেন, স্বীকৃতি বঞ্চনা ও ইতিহাস বিকৃতির প্রবণতা দূর না হলে জাতীয় ঐক্য ও মূল্যবোধ শক্তিশালী হয় না। অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনীর কয়েক শ অবসরপ্রাপ্ত সদস্য অংশ নেন এবং আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা, প্রত্যাশা ও আশঙ্কা নিয়ে মত প্রকাশ করেন।

repoter