ঢাকা,  বৃহস্পতিবার
১৫ জানুয়ারী ২০২৬ , ১১:৩৩ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* ব্যবসার পরিবেশ গণতান্ত্রিক করতে আমলাতন্ত্র কমানোর প্রতিশ্রুতি দিল বিএনপি নেতৃত্ব * ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খানের বক্তব্যে ঐক্যের আহ্বান * নির্বাচনে মাত্র ৪ শতাংশ নারী প্রার্থী নিয়ে দলগুলোর জবাবদিহি দাবি নারী অধিকারকর্মীদের * নির্বাচনে কারসাজির চেষ্টা হলে পালাতে হবে, সতর্ক করলেন জামায়াত আমির * কারওয়ান বাজার নিয়ন্ত্রণের বিরোধে কনট্রাক্ট কিলিং, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ চারজন গ্রেপ্তার * চট্টগ্রাম-৯ আসনে আপিলে প্রার্থিতা না-ফেরা ফজলুল হকের অভিযোগ, দ্বৈত নাগরিকত্বে কমিশনের কঠোরতা প্রশ্নে আলোচনা * ইরানে রাতভর সংঘর্ষে নিহতের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, তথ্য যাচাইয়ে জটিলতা * মুস্তাফিজ ইস্যুকে জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে তুললেন বিএনপি মহাসচিব, আইনশৃঙ্খলা ও নদী–কূটনীতি ইস্যুতেও সরকারের সমালোচনা * বিএনপির গণভোট–কেন্দ্রিক পরিকল্পনায় নতুন গতি, বিদেশি যোগাযোগে সক্রিয় কূটনীতি ও মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার * হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ

কারওয়ান বাজার নিয়ন্ত্রণের বিরোধে কনট্রাক্ট কিলিং, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ চারজন গ্রেপ্তার

repoter

প্রকাশিত: ০১:৫৯:০২অপরাহ্ন , ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ০১:৫৯:০২অপরাহ্ন , ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আজিজুর রহমান মুছাব্বির

ছবি: আজিজুর রহমান মুছাব্বির

ঢাকায় কারওয়ান বাজারের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চুক্তিভিত্তিক টার্গেট কিলিংয়ের অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তিন সহোদরসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ, যেখানে তদন্তে উঠে এসেছে বিদেশে পলাতক এক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তার বিদেশি সহযোগীর মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে এ হত্যাকাণ্ড সাজানো হয় এবং বাজার নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক স্বার্থ-সংঘাতই অপারেশনের মূল প্রেরণা ছিল। তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পলাতক সন্ত্রাসীর ঘনিষ্ঠজন বিল্লাল মোটরসাইকেল ব্যবহার করে শুটারদের মুছাব্বিরের নিয়মিত আড্ডাস্থল স্টার হোটেলের পাশের গলিতে পৌঁছে দেন, আগের দিন রেকি করে গলিপথ, চলাচলের রুট ও পলায়নের কৌশল নির্ধারণ করা হয়, আর খুনের সময় মুছাব্বিরের পাশে থাকা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন নেতাও গুলিবিদ্ধ হন। মামলায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও বরাবরের মতো বাজার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক ও স্থানীয় দখলদারিত্বের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল বলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন; একই সঙ্গে গ্রেপ্তারদের নগরীর বিভিন্ন স্থানে ধরা হয়, অস্ত্র উদ্ধার প্রক্রিয়া চলছে এবং আদালতে রিমান্ড চেয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে, যেখানে মুছাব্বিরের জনপ্রিয়তা, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, বাজার স্বার্থ ও অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

repoter