ঢাকা,  বৃহস্পতিবার
১৫ জানুয়ারী ২০২৬ , ১১:৩১ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* ব্যবসার পরিবেশ গণতান্ত্রিক করতে আমলাতন্ত্র কমানোর প্রতিশ্রুতি দিল বিএনপি নেতৃত্ব * ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খানের বক্তব্যে ঐক্যের আহ্বান * নির্বাচনে মাত্র ৪ শতাংশ নারী প্রার্থী নিয়ে দলগুলোর জবাবদিহি দাবি নারী অধিকারকর্মীদের * নির্বাচনে কারসাজির চেষ্টা হলে পালাতে হবে, সতর্ক করলেন জামায়াত আমির * কারওয়ান বাজার নিয়ন্ত্রণের বিরোধে কনট্রাক্ট কিলিং, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির হত্যা মামলায় তিন সহোদরসহ চারজন গ্রেপ্তার * চট্টগ্রাম-৯ আসনে আপিলে প্রার্থিতা না-ফেরা ফজলুল হকের অভিযোগ, দ্বৈত নাগরিকত্বে কমিশনের কঠোরতা প্রশ্নে আলোচনা * ইরানে রাতভর সংঘর্ষে নিহতের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, তথ্য যাচাইয়ে জটিলতা * মুস্তাফিজ ইস্যুকে জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে তুললেন বিএনপি মহাসচিব, আইনশৃঙ্খলা ও নদী–কূটনীতি ইস্যুতেও সরকারের সমালোচনা * বিএনপির গণভোট–কেন্দ্রিক পরিকল্পনায় নতুন গতি, বিদেশি যোগাযোগে সক্রিয় কূটনীতি ও মাঠ পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার * হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে বিলম্ব নিয়ে ক্ষোভ

চুয়াডাঙ্গায় সেনা অভিযানে বিএনপি নেতা আটক–পর মৃত্যু, উত্তেজনা–বিক্ষোভ–তদন্ত দাবি

repoter

প্রকাশিত: ১২:০৭:২৭অপরাহ্ন , ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১২:০৭:২৭অপরাহ্ন , ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু

ছবি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রাতের সেনা অভিযানে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৫২) আটক হওয়ার পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে তাঁকে আটক করা হলে সেনা সদস্যরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, যেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর অল্প সময়ের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা গভীর রাতেই হাসপাতালে গিয়ে রাস্তা অবরোধ, টায়ারে আগুন জ্বালানো ও স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে অভিযান চালিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের বেছে বেছে আটক ও নির্যাতন করা হচ্ছে এবং সেই নির্যাতনেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বিএনপি প্রার্থী বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে জানিয়ে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং জড়িতদের বিচার দাবি করেন। অন্যদিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা থাকায় হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সেনা সদস্যদের অবস্থান থাকায় রোগী ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। স্থানীয় প্রশাসন মরদেহ সদর হাসপাতালে নিতে চাইলে বিক্ষুব্ধ নেতা–কর্মীরা বাধা দেন এবং নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মরদেহ সরানো যাবে না বলে দাবি জানান। মৃত্যুর কারণ নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য উঠে আসে—স্থানীয়দের দাবি এটি হত্যা, অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি হার্ট অ্যাটাকজনিত মৃত্যু বলা হয়। তদন্ত, ময়নাতদন্ত, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিরোধী শিবিরের প্রতিবাদে জীবননগর এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

repoter