ঢাকা,   বুধবার
৪ মার্চ ২০২৬ , ০৭:৩০ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* মধ্যপ্রাচ্যগামী আজ ২৫ ফ্লাইট বাতিল * ঢামেকে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, বিভিন্ন অসঙ্গতি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ * দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * গণভোটের রায় বাতিলের চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলামের অভিযোগ * মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, বাংলাদেশের জন্যও বাড়ছে ঝুঁকি * জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেওয়ার প্রস্তাব বিএনপির: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * চিকিৎসাধীন অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল * ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁচা-মরার লড়াই * নতুন প্রজন্ম সব দেখছে, ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী * ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

চুয়াডাঙ্গায় সেনা অভিযানে বিএনপি নেতা আটক–পর মৃত্যু, উত্তেজনা–বিক্ষোভ–তদন্ত দাবি

reporter

প্রকাশিত: ১২:০৭:২৭অপরাহ্ন , ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ১২:০৭:২৭অপরাহ্ন , ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু

ছবি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রাতের সেনা অভিযানে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু (৫২) আটক হওয়ার পর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় একটি ফার্মেসি থেকে তাঁকে আটক করা হলে সেনা সদস্যরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, যেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর অল্প সময়ের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা গভীর রাতেই হাসপাতালে গিয়ে রাস্তা অবরোধ, টায়ারে আগুন জ্বালানো ও স্লোগান দেওয়ার মাধ্যমে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে অভিযান চালিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের বেছে বেছে আটক ও নির্যাতন করা হচ্ছে এবং সেই নির্যাতনেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বিএনপি প্রার্থী বিষয়টি নির্বাচন কমিশনে জানিয়ে লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং জড়িতদের বিচার দাবি করেন। অন্যদিকে প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা হবে এবং প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা থাকায় হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং সেনা সদস্যদের অবস্থান থাকায় রোগী ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। স্থানীয় প্রশাসন মরদেহ সদর হাসপাতালে নিতে চাইলে বিক্ষুব্ধ নেতা–কর্মীরা বাধা দেন এবং নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মরদেহ সরানো যাবে না বলে দাবি জানান। মৃত্যুর কারণ নিয়ে দুই ধরনের বক্তব্য উঠে আসে—স্থানীয়দের দাবি এটি হত্যা, অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি হার্ট অ্যাটাকজনিত মৃত্যু বলা হয়। তদন্ত, ময়নাতদন্ত, নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিরোধী শিবিরের প্রতিবাদে জীবননগর এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

reporter